ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবারও ৪৮ ঘণ্টা অবরোধের ঘোষণা এলডিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩
  • / 201

আগামী ১২ ও ১৩ নভেম্বর (রোববার ও সোমবার) ৪৮ ঘণ্টা দেশব্যাপী সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)।

বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে এক বিবৃতিতে নতুন করে আবার অবরোধের ঘোষণা দেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

বিবৃতিতে অলি আহমদ বলেন, বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকার গণতন্ত্রকে পদদলিত করেছে। ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারকে নির্বাসিত করেছে। দেশের অর্থনীতিকে ভয়ংকর পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। বিরোধী দলের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, গায়েবি মামলা হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত হচ্ছে। টাকা পাচার অব্যাহত রয়েছে এবং দুর্নীতির উচ্চ শিখরে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, বিএনপির প্রবীণ নেতাদের জেলে আটকিয়ে রেখেছে। অনেকের মিথ্যা মামলায় সাজাও দিয়েছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে, এই সকল বিরোধী দলের নেতারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে লিপ্ত। জনগণের মানবাধিকার, অর্থনৈতিক অধিকার, ন্যায়বিচারের অধিকার এবং সর্বোপরি ভোটের অধিকার ফিরিয়ে এনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চেষ্টা করছে। মানুষকে এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে চেষ্টা করছে। এটাই তাদের একমাত্র অপরাধ।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ অবরোধের কর্মসূচিও এলডিপির পক্ষ থেকে প্রথমে ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে বিএনপিসহ আন্দোলনে থাকা অন্য দলগুলো একই কর্মসূচি দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আবারও ৪৮ ঘণ্টা অবরোধের ঘোষণা এলডিপির

আপডেট সময় : ১১:০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩

আগামী ১২ ও ১৩ নভেম্বর (রোববার ও সোমবার) ৪৮ ঘণ্টা দেশব্যাপী সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)।

বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে এক বিবৃতিতে নতুন করে আবার অবরোধের ঘোষণা দেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

বিবৃতিতে অলি আহমদ বলেন, বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকার গণতন্ত্রকে পদদলিত করেছে। ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারকে নির্বাসিত করেছে। দেশের অর্থনীতিকে ভয়ংকর পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। বিরোধী দলের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, গায়েবি মামলা হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত হচ্ছে। টাকা পাচার অব্যাহত রয়েছে এবং দুর্নীতির উচ্চ শিখরে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, বিএনপির প্রবীণ নেতাদের জেলে আটকিয়ে রেখেছে। অনেকের মিথ্যা মামলায় সাজাও দিয়েছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে, এই সকল বিরোধী দলের নেতারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে লিপ্ত। জনগণের মানবাধিকার, অর্থনৈতিক অধিকার, ন্যায়বিচারের অধিকার এবং সর্বোপরি ভোটের অধিকার ফিরিয়ে এনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চেষ্টা করছে। মানুষকে এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে চেষ্টা করছে। এটাই তাদের একমাত্র অপরাধ।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ অবরোধের কর্মসূচিও এলডিপির পক্ষ থেকে প্রথমে ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে বিএনপিসহ আন্দোলনে থাকা অন্য দলগুলো একই কর্মসূচি দেয়।