এক ব্যক্তির জন্য আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হবে না: পররাষ্ট্রসচিব

- আপডেট সময় : ০৫:১৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জানুয়ারী ২০২৪
- / 193
এক ব্যক্তির জন্য আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কোনো কারণ ঢাকা দেখে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজের দপ্তরে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের চারজনকে সোমবার ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া, ড. ইউনূসকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, ‘এই আদালতে নোবেলজয়ী ইউনূসের বিচার হচ্ছে না, গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর বিচার হচ্ছে।’
রায়ের ফলে আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে কি না– এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘এক ব্যক্তির কারণে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কোনো কারণ দেখে না ঢাকা। এটি আমাদের একটি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হয়েছে, ওনারও (ড. ইউনূসের) আপিল করার সুযোগ আছে। এটি একটি চলমান আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যেই আছে।’
শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে এই মামলা করে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর।
মামলার এজহার থেকে জানা যায়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা গ্রামীণ টেলিকম পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে তাঁরা শ্রম আইনের লঙ্ঘনের বিষয়ে জানতে পারেন। এর মধ্যে ১০১ জন শ্রমিক-কর্মচারীকে স্থায়ী করার কথা থাকলেও তাঁদের স্থায়ী করা হয়নি। শ্রমিকদের অংশগ্রহণের তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশের ৫ শতাংশ শ্রমিকদের দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেওয়া হয়নি। মামলায় ড. ইউনূস ছাড়াও আসামি করা হয়েছে গ্রামীণ টেলিকমের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহানকে।
আজকের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ড. ইউনূস দাবি করেন, দোষ না করেও সাজা দেওয়া হয়েছে তাকে। পরে আপিল করার শর্তে একমাসের জামিন পান তিনি।




















