সাংবাদিক তুহিনকে রোমহর্ষকভাবে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন স্বাধীন

- আপডেট সময় : ০২:০৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
- / 66
গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অন্যতম আসামি স্বাধীন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। আজ (শনিবার, ৯ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান গাজীপুর র্যাব-১ এর কোম্পানি কমান্ডার এসপি কে এম এ. মামুন খান চিশতী।
কে এম এ. মামুন খান চিশতী বলেন, ‘চক্রের নারী সদস্য গোলাপি বাদশাহ নামের এক ব্যক্তিকে বিরক্ত করছিল, তাই বাদশাহ সেই নারীকে আঘাত করে। এ ঘটনার পর চক্রের বাকি সদস্যরা বাদশাহকে ছুরি নিয়ে ধাওয়া করে। বিষয়টি দেখে ভিডিও করছিল তুহিন। চক্রের সদস্যরা ভিডিও করা দেখে ফেলায় তার ওপর হামলা করে তারা।’
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে র্যাব বলেছে, ‘স্বাধীন একটি গ্রুপের সঙ্গে জড়িত। গ্রুপের অন্যান্য সদস্যদের সহায়তায় সে ওখানে (হত্যাকাণ্ডে) গিয়েছে। আর ভিডিও ফুটেজে তো আপনারা দেখেছেনই।’
আসামিরা সাংবাদিক তুহিনকে কেন হত্যা করেছেন— এমন প্রশ্নে র্যাব বলেছে, ‘এখন আসামিরা পাড় পাওয়ার জন্য অনেক কিছুই বলবে। এটা তদন্ত সাপেক্ষ বিষয়। তদন্তের স্বার্থে আমরা একটু সময় নিয়ে আপনাদের জানালেই মনে হয়… ভালো হয়।’
আসামিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় কারা দিয়েছেন— এমন প্রশ্নে র্যাব বলেছে, ‘এটাও একটা গোপনীয় বিষয়। তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে। যথাসময়ে এগুলো জানা যাবে।’
আসামি স্বাধীন বাস চালক। তিনি ৮-৯ বছর ধরে গাজীপুরে বসবাস করছেন বলে র্যাবকে জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় আজ আসামি মো. শাহ জালাল (৩২) ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানার চর মসলন্দ মোড়লপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ফয়সাল হাসান (২৩) নামে আরেক আসামিকে রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ নিয়ে মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাতে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি কেটু মিজান, তার স্ত্রী গোলাপি, স্বাধীন ও আল-আমিন নামে চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তায় মসজিদ মার্কেটের সামনে প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার গাজীপুর প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান তুহিনকে (৩৮) প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও জবাই করে নৃশংসভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।





















