ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কবর ভাঙা, লাশ পোড়ানো মহানবীর শিক্ষা নয়: রিজভী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 57

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কবর ভাঙা ও লাশ পোড়ানো মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর শিক্ষার পরিপন্থী। তিনি বলেন, আজ আমরা বিভক্ত।

তিনি বলেন, আমরা ভয়াবহ ভাঙচুর ও লাশ পোড়ানোর ঘটনা প্রত্যক্ষ করছি, যার কোনোটিই আমাদের প্রিয় নবীর শিক্ষার প্রতিফলন নয়।

নিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘তৌহিদি জনতা’র ব্যানারে যে অশান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে, তার পেছনে ষড়যন্ত্র চলছে।

আরও পড়ুন: নুরাল পাগলার দরবারে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা

এ ব্যাপারে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। পাকিস্তান আমলেও আমরা মাজারে হামলা বা লাশ পোড়াতে দেখিনি। শেখ হাসিনা যেমন একসময় বিএনপির আমলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্র করেছিলেন, এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে তদন্ত করতে হবে যে আবারও সেই ষড়যন্ত্র হচ্ছে কিনা।

বাংলাদেশের জনগণের প্রতি দলের দায়বদ্ধতার কথা পুনর্ব্যক্ত করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বিএনপি সাধারণ মানুষের দল। অনেক রাজনৈতিক দল তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে যে তারা বাংলাদেশ বা জনগণের পক্ষে নয়। বিএনপি এই দেশ, এর সংস্কৃতি এবং নাগরিকদের লালিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখে।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও শিক্ষার কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘গণতন্ত্র হোক বা রাষ্ট্রের চেতনা, আরবের সেই মহান ব্যক্তি সারা বিশ্বের জন্য একটি ঐশ্বরিক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, তাঁর বাণীকে গ্রহণ না করে আমরা আমাদের ধর্মকে বিভিন্ন দল ও উপদলে বিভক্ত করে ফেলছি।

তিনি বলেন, ‘এমন একজন মহান ব্যক্তিত্বের কথা বলতে পেরে আমি সম্মানিত, যাঁর জীবন ছিল করুণা, ন্যায়বিচার ও সততার মূর্ত প্রতীক। আমরা যদি সত্যিকার অর্থে তাঁর দেওয়া মূল্যবোধের এক ভগ্নাংশও আত্মস্থ করতাম, যেমন ঈশ্বরের বার্তা, তাঁর আচরণ এবং তাঁর আদর্শ – তাহলে আমাদের সমাজে অন্যায়, অনৈতিকতা, সহিংসতা এবং রক্তপাতের কোনও স্থান থাকত না।

এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সফু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান শেষ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

কবর ভাঙা, লাশ পোড়ানো মহানবীর শিক্ষা নয়: রিজভী

আপডেট সময় : ০৪:২০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কবর ভাঙা ও লাশ পোড়ানো মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর শিক্ষার পরিপন্থী। তিনি বলেন, আজ আমরা বিভক্ত।

তিনি বলেন, আমরা ভয়াবহ ভাঙচুর ও লাশ পোড়ানোর ঘটনা প্রত্যক্ষ করছি, যার কোনোটিই আমাদের প্রিয় নবীর শিক্ষার প্রতিফলন নয়।

নিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘তৌহিদি জনতা’র ব্যানারে যে অশান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে, তার পেছনে ষড়যন্ত্র চলছে।

আরও পড়ুন: নুরাল পাগলার দরবারে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা

এ ব্যাপারে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। পাকিস্তান আমলেও আমরা মাজারে হামলা বা লাশ পোড়াতে দেখিনি। শেখ হাসিনা যেমন একসময় বিএনপির আমলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্র করেছিলেন, এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে তদন্ত করতে হবে যে আবারও সেই ষড়যন্ত্র হচ্ছে কিনা।

বাংলাদেশের জনগণের প্রতি দলের দায়বদ্ধতার কথা পুনর্ব্যক্ত করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বিএনপি সাধারণ মানুষের দল। অনেক রাজনৈতিক দল তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে যে তারা বাংলাদেশ বা জনগণের পক্ষে নয়। বিএনপি এই দেশ, এর সংস্কৃতি এবং নাগরিকদের লালিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখে।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও শিক্ষার কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘গণতন্ত্র হোক বা রাষ্ট্রের চেতনা, আরবের সেই মহান ব্যক্তি সারা বিশ্বের জন্য একটি ঐশ্বরিক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, তাঁর বাণীকে গ্রহণ না করে আমরা আমাদের ধর্মকে বিভিন্ন দল ও উপদলে বিভক্ত করে ফেলছি।

তিনি বলেন, ‘এমন একজন মহান ব্যক্তিত্বের কথা বলতে পেরে আমি সম্মানিত, যাঁর জীবন ছিল করুণা, ন্যায়বিচার ও সততার মূর্ত প্রতীক। আমরা যদি সত্যিকার অর্থে তাঁর দেওয়া মূল্যবোধের এক ভগ্নাংশও আত্মস্থ করতাম, যেমন ঈশ্বরের বার্তা, তাঁর আচরণ এবং তাঁর আদর্শ – তাহলে আমাদের সমাজে অন্যায়, অনৈতিকতা, সহিংসতা এবং রক্তপাতের কোনও স্থান থাকত না।

এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সফু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান শেষ হয়।