নিজস্ব ভাবনা চাপিয়ে দিয়ে ঐকমত্য হবে না: আমির খসরু

- আপডেট সময় : ০৪:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, রোববার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
- / 130
রাস্তায় নেমে চাপ সৃষ্টি করে কিংবা নিজস্ব ভাবনা অন্যের ওপর চাপিয়ে দিয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আজ রোববার (৯ নভেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘আগামীর উন্নত জাতি গঠনে দিকনির্দেশনামূলক সুপারিশ’ শেষ হোক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় খসরু বলেন, রাষ্ট্রের প্রয়োজনে বিভিন্ন সংস্কার হতে হবে। কিন্তু সংস্কার কি হবে সেটার সিদ্ধান্ত জানাবে জনগণ। পরিবর্তনের জন্য অবশ্যই জনগণের মেন্ডেড আনতে হবে। কিছু রাজনৈতিক দল সংসদে যাওয়ার আগেই ঠিক করতে চায় আগামী সংসদে কি কি কাজ হবে। এই চিন্তা বাস্তবসম্মত নয়। ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে। পার্লামেন্টে সেই নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনকল্যানে বিভিন্ন সংস্কার নিয়ে আলোচনা করবে, ঐকমত্য হবে। বরং তখন কোন বিষয়ের উপরে গণভোট হতে পারে।
সাংবাদিকদের মনের মধ্যে কোনো সন্দেহ না রাখতে বলেছেন সিইসি
আমির খসরু বলেন, ‘দায়িত্ব পেলে যাতে দ্রুত জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা যায়, সে প্রস্তুতি বিএনপি নিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধানে নির্বাচনের দিন গণভোটের অনুমতি নেই।’ ‘শুধু বিএনপির উদারতার কারণেই দলটি এতে রাজি হয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।
বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, যারা আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চায় তারা কেউ গণতন্ত্রের পক্ষে নয়। তারা চায় না দেশ গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাক। নিজস্ব চিন্তাভাবনা নিয়ে কথায় কথায় রাজপথে নেমে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা দূরভীসন্ধিমূলক।
আমীর খসরু বলেন, বিএনপি আগামীতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে পুলিশ সংস্কার ও স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে। এ লক্ষ্যে অলরেডি বিএনপি কাজ শুরু করেছে। যেন নির্বাচনের পরপরই অনেক কিছু দৃশ্যমান হয়। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার পুলিশ সংস্কারের ব্যাপারে কোন ভূমিকা রাখেনি। অথচ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল এই পুলিশ সংস্কার। কারণ জনগণের নিরাপত্তা ও জান মালের নিশ্চয়তা প্রদান করা পুলিশের কাজ।
স্থানীয় সরকার শক্তিশালী না হলে মানুষ সেবা বঞ্চিত হবে জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, মানুষের নাগরিক জীবনের যত সেবা সব স্থানীয় পর্যায়ে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এসব সেবা মানুষ পেয়ে থাকে। বর্তমানে স্থানীয় প্রশাসন বলতে কিছুই নেই। এতে ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ তাদের প্রাপ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।























