ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২২ বছর পর ভারতকে হারালো বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / 113
148

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে ভারতকে হারালো বাংলাদেশ। গুণে-গুণে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটলো। এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে ভারতের বিপক্ষে একমাত্র গোলে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। চোট থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা মিডফিল্ডার শেখ মোরসালিন একাদশে ফিরেই পেয়েছেন গোলের দেখা। তার এই গোলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার জয় পেল বাংলাদেশ।

এই জয়ে বাছাইপর্ব থেকে আগেই বিদায় নেওয়া বাংলাদেশের পয়েন্ট হলো পাঁচ। ১৪ অক্টোবর হংকং ও চায়নার বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করে এক পয়েন্ট পেয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

এর আগে ২০০৩ সালে ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ভারতকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর বছরের পর বছর ভারত বধ অধরায় ছিল। আজ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের শেষ হোম ম্যাচে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে সেই অপূর্ণতা পূরণ করলেন হামজা-মোরসালিনরা।

ম্যাচের নির্ধারিত সময়ে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। জয়োৎসব ছিল কেবল সময়ের অপেক্ষা। তবে অতিরিক্ত সময়ে গোল হজমের অভ্যাস ফেলে মহা দুশ্চিন্তায়। এবারও তেমন কিছু নয়তো? অলক্ষ্যে এমন উদ্বেগ ছিল স্টেডিয়ামে আগত ২৩ হাজারেরও বেশি সমর্থকের। মঙ্গলবার পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। একমাত্র গোলটি করেছেন শেখ মোরছালিন।

স্থগিত হচ্ছে মেয়েদের ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ

দাঁতে দাঁত চেপে শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছেন তপু বর্মণ, সাদ উদ্দিন এবং মিডফিল্ড থেকে রক্ষণে দায়িত্ব পালন করা হামজা চৌধুরী। তাঁদের দৃঢ়তায় লাল-সবুজের সমর্থকরা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন। শেষ পর্যন্ত রেড অ্যান্ড গ্রিনরা জয়ী হয়েছেন। ২২ বছর পর ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ হারল না। একই সঙ্গে জাতীয় স্টেডিয়াম প্রতিধ্বনিত হয়েছে উল্লসিত সমর্থকদের আনন্দে।

ঘরের মাঠে ভারতকে পেয়ে শুরু থেকে আক্রমণাত্মক খেলেছিল বাংলাদেশ। গোলের দেখা মিললো ১১তম মিনিটে। ওই গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে গেল হাভিয়ের কাবরেরা দল।

ম্যাচে ফিরতে মরিয়া ভারত প্রথম ১৫-২০ মিনিটে কার্যকরী কোনো আক্রমণ করতে পারেনি। এরপর দুই-একবার ভীতি ছড়িয়েছে বাংলাদেশের রক্ষণে, যেগুলো সামাল দিয়েছেন হামজা চৌধুরী।

ম্যাচের ৩৭তম মিনিটে হাতাহাতি হয় সোহেল রানা, তপু বর্মণদের সঙ্গে ভারতের নারাভি নিখিল। হলুদ কার্ড পান তপু ও চাংতে। মাঠে তৈরি হয় যুদ্ধাংদেহী পরিবেশ। তবে বিরতিতে যাওয়ার আগে অতিথিরা সমতায় ফিরতে পারেনি।

পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে তৃতীয় মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে রাকিব হোসেনের বাঁ পায়ের শট বাঁদিকে ঝাপিয়ে সহজেই রুখে দেন ভারতের গোলকিপার গুরপ্রীত সিং।

১১ মিনিটে শেখ মোরছালিনের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। আক্রমণের শুরুটা হয় গোলদাতা মোরছালিনের কাছ থেকেই। আবাহনী ফরোয়ার্ড রাকিব থেকে বল নিয়ে একাই এগিয়ে যান, ডানপ্রান্তে ঢুকে ক্রস পান রাকিবের কাছ থেকে। একা থাকা গোলরক্ষককে বোকা বানাতে ভুল করেননি বাংলাদেশের তরুণ তারকা। এটি মোরছালিনের লাল-সবুজ জার্সিতে সপ্তম গোল।

২২ মিনিটে বক্সের ডান প্রান্ত থেকে রাকিবের ক্রস সহজেই তালুবন্দি করেন ভারতের গোলকিপার সিন্ধু। এই সময়ে প্রতিপক্ষকে রুখতে বেশ কয়েকবার ঝলক দেখান হামজা। দারুণ বুদ্ধিদীপ্ত ট্যাকেলে গ্যালারির সমর্থকদের উজ্জীবিত করেছেন তিনি।

২৭ মিনিটে ব্যথা নিয়ে মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশের রক্ষণের অন্যতম সেরা সেনানী তারিক কাজী। তাঁর বদলি হিসেবে নামেন শাকিল আহাদ তপু।

৩১ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণের ভুলে বল পায় লালিয়ানজুয়ালা চাংতে। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিতুল মারমা পোস্ট ছেড়ে বাইরে থাকায় গোলপোস্টও ছিল ফাঁকা। চাংতের দূরপাল্লার শট প্রায় পোস্টে যাচ্ছিল, ত্রাতায় হাজির হন হামজা। হেড করে কর্নারের বিনিময়ে দলকে রক্ষা করেন তিনি।

পরবর্তী কয়েক মিনিটে আবারও রক্ষণে ঝলক দেখান হামজা। ভারতের ফুটবলারদের সঙ্গে তপু বর্মণের ট্যাকলের ঘটনায় কার্ড দেখান রেফারি।

হাই ভোল্টেজ ম্যাচের আগেই সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলেছিলেন, “এই ম্যাচে অনেক কার্ড হবে, গালাগালি হবে, অনেক কথা হবে।” প্রথমার্ধেই তার ছাপ পড়ল।

৩৮ মিনিটে গোললাইন থেকে হেডে বল ক্লিয়ার করে দলকে রক্ষা করেন রাকিব।

৪৪ মিনিটে সাদ উদ্দিনের ফ্রি কিক ভারতের দেয়ালে বাধা পেয়ে হামজার কাছে আসে। হামজা বুক বা পায়ের শট নেন, কিন্তু অল্পের জন্য রক্ষা পায় ভারত।

৫১ মিনিটে ভারতের বদলি মহেশ সিংয়ের শট পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। ৬৪ মিনিটে মোহাম্মদ সানানের শট রক্ষা করেন মিতুল। ৭০ মিনিটে সানানের আচমকা শটও বাঁ দিকে ঝাপিয়ে রক্ষা করেন মিতুল।

৭০ মিনিটে গোল করা মোরছালিনকে তুলে নেন কোচ কাবরেরা। বদলি হিসেবে মাঠে নামেন শাহরিয়ার ইমন, তাজ উদ্দিন ও জায়ান।

৭৯ মিনিটে ভারতের দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে এগিয়ে যান শাকিল আহাদ তপু। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট ভারতের গোলরক্ষকের হাতে জমা পড়ে।

৮২ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেন ভারতের অধিনায়ক সন্দেশ জিঙ্গান। বলের হাতে লাগার পর বাংলাদেশের ফুটবলাররা পেনাল্টি চাইলে রেফারি ক্লিফোর্ড ডায়পুতা তা নাকচ করেন।

যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে গোলকিপারকে প্রায় একাই পেয়েছিলেন ফাহিম, তবে গোল করতে পারেননি। গোলকিকের পর বাজল ম্যাচ শেষের বাঁশি।

জয়ে মাতোয়ারা হলো জাতীয় স্টেডিয়ামের গ্যালারি। সবুজ গালিচায় শুয়ে পড়লেন হামজা চৌধুরী। ২২ বছরের অপেক্ষার পর পাওয়া জয়ে বাংলাদেশ পেল বহুল প্রত্যাশিত এক জয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

২২ বছর পর ভারতকে হারালো বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১১:৪০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
148

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে ভারতকে হারালো বাংলাদেশ। গুণে-গুণে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটলো। এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে ভারতের বিপক্ষে একমাত্র গোলে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। চোট থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা মিডফিল্ডার শেখ মোরসালিন একাদশে ফিরেই পেয়েছেন গোলের দেখা। তার এই গোলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার জয় পেল বাংলাদেশ।

এই জয়ে বাছাইপর্ব থেকে আগেই বিদায় নেওয়া বাংলাদেশের পয়েন্ট হলো পাঁচ। ১৪ অক্টোবর হংকং ও চায়নার বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করে এক পয়েন্ট পেয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

এর আগে ২০০৩ সালে ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ভারতকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর বছরের পর বছর ভারত বধ অধরায় ছিল। আজ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের শেষ হোম ম্যাচে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে সেই অপূর্ণতা পূরণ করলেন হামজা-মোরসালিনরা।

ম্যাচের নির্ধারিত সময়ে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। জয়োৎসব ছিল কেবল সময়ের অপেক্ষা। তবে অতিরিক্ত সময়ে গোল হজমের অভ্যাস ফেলে মহা দুশ্চিন্তায়। এবারও তেমন কিছু নয়তো? অলক্ষ্যে এমন উদ্বেগ ছিল স্টেডিয়ামে আগত ২৩ হাজারেরও বেশি সমর্থকের। মঙ্গলবার পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। একমাত্র গোলটি করেছেন শেখ মোরছালিন।

স্থগিত হচ্ছে মেয়েদের ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ

দাঁতে দাঁত চেপে শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছেন তপু বর্মণ, সাদ উদ্দিন এবং মিডফিল্ড থেকে রক্ষণে দায়িত্ব পালন করা হামজা চৌধুরী। তাঁদের দৃঢ়তায় লাল-সবুজের সমর্থকরা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন। শেষ পর্যন্ত রেড অ্যান্ড গ্রিনরা জয়ী হয়েছেন। ২২ বছর পর ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ হারল না। একই সঙ্গে জাতীয় স্টেডিয়াম প্রতিধ্বনিত হয়েছে উল্লসিত সমর্থকদের আনন্দে।

ঘরের মাঠে ভারতকে পেয়ে শুরু থেকে আক্রমণাত্মক খেলেছিল বাংলাদেশ। গোলের দেখা মিললো ১১তম মিনিটে। ওই গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে গেল হাভিয়ের কাবরেরা দল।

ম্যাচে ফিরতে মরিয়া ভারত প্রথম ১৫-২০ মিনিটে কার্যকরী কোনো আক্রমণ করতে পারেনি। এরপর দুই-একবার ভীতি ছড়িয়েছে বাংলাদেশের রক্ষণে, যেগুলো সামাল দিয়েছেন হামজা চৌধুরী।

ম্যাচের ৩৭তম মিনিটে হাতাহাতি হয় সোহেল রানা, তপু বর্মণদের সঙ্গে ভারতের নারাভি নিখিল। হলুদ কার্ড পান তপু ও চাংতে। মাঠে তৈরি হয় যুদ্ধাংদেহী পরিবেশ। তবে বিরতিতে যাওয়ার আগে অতিথিরা সমতায় ফিরতে পারেনি।

পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে তৃতীয় মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে রাকিব হোসেনের বাঁ পায়ের শট বাঁদিকে ঝাপিয়ে সহজেই রুখে দেন ভারতের গোলকিপার গুরপ্রীত সিং।

১১ মিনিটে শেখ মোরছালিনের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। আক্রমণের শুরুটা হয় গোলদাতা মোরছালিনের কাছ থেকেই। আবাহনী ফরোয়ার্ড রাকিব থেকে বল নিয়ে একাই এগিয়ে যান, ডানপ্রান্তে ঢুকে ক্রস পান রাকিবের কাছ থেকে। একা থাকা গোলরক্ষককে বোকা বানাতে ভুল করেননি বাংলাদেশের তরুণ তারকা। এটি মোরছালিনের লাল-সবুজ জার্সিতে সপ্তম গোল।

২২ মিনিটে বক্সের ডান প্রান্ত থেকে রাকিবের ক্রস সহজেই তালুবন্দি করেন ভারতের গোলকিপার সিন্ধু। এই সময়ে প্রতিপক্ষকে রুখতে বেশ কয়েকবার ঝলক দেখান হামজা। দারুণ বুদ্ধিদীপ্ত ট্যাকেলে গ্যালারির সমর্থকদের উজ্জীবিত করেছেন তিনি।

২৭ মিনিটে ব্যথা নিয়ে মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশের রক্ষণের অন্যতম সেরা সেনানী তারিক কাজী। তাঁর বদলি হিসেবে নামেন শাকিল আহাদ তপু।

৩১ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণের ভুলে বল পায় লালিয়ানজুয়ালা চাংতে। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিতুল মারমা পোস্ট ছেড়ে বাইরে থাকায় গোলপোস্টও ছিল ফাঁকা। চাংতের দূরপাল্লার শট প্রায় পোস্টে যাচ্ছিল, ত্রাতায় হাজির হন হামজা। হেড করে কর্নারের বিনিময়ে দলকে রক্ষা করেন তিনি।

পরবর্তী কয়েক মিনিটে আবারও রক্ষণে ঝলক দেখান হামজা। ভারতের ফুটবলারদের সঙ্গে তপু বর্মণের ট্যাকলের ঘটনায় কার্ড দেখান রেফারি।

হাই ভোল্টেজ ম্যাচের আগেই সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলেছিলেন, “এই ম্যাচে অনেক কার্ড হবে, গালাগালি হবে, অনেক কথা হবে।” প্রথমার্ধেই তার ছাপ পড়ল।

৩৮ মিনিটে গোললাইন থেকে হেডে বল ক্লিয়ার করে দলকে রক্ষা করেন রাকিব।

৪৪ মিনিটে সাদ উদ্দিনের ফ্রি কিক ভারতের দেয়ালে বাধা পেয়ে হামজার কাছে আসে। হামজা বুক বা পায়ের শট নেন, কিন্তু অল্পের জন্য রক্ষা পায় ভারত।

৫১ মিনিটে ভারতের বদলি মহেশ সিংয়ের শট পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। ৬৪ মিনিটে মোহাম্মদ সানানের শট রক্ষা করেন মিতুল। ৭০ মিনিটে সানানের আচমকা শটও বাঁ দিকে ঝাপিয়ে রক্ষা করেন মিতুল।

৭০ মিনিটে গোল করা মোরছালিনকে তুলে নেন কোচ কাবরেরা। বদলি হিসেবে মাঠে নামেন শাহরিয়ার ইমন, তাজ উদ্দিন ও জায়ান।

৭৯ মিনিটে ভারতের দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে এগিয়ে যান শাকিল আহাদ তপু। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট ভারতের গোলরক্ষকের হাতে জমা পড়ে।

৮২ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেন ভারতের অধিনায়ক সন্দেশ জিঙ্গান। বলের হাতে লাগার পর বাংলাদেশের ফুটবলাররা পেনাল্টি চাইলে রেফারি ক্লিফোর্ড ডায়পুতা তা নাকচ করেন।

যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে গোলকিপারকে প্রায় একাই পেয়েছিলেন ফাহিম, তবে গোল করতে পারেননি। গোলকিকের পর বাজল ম্যাচ শেষের বাঁশি।

জয়ে মাতোয়ারা হলো জাতীয় স্টেডিয়ামের গ্যালারি। সবুজ গালিচায় শুয়ে পড়লেন হামজা চৌধুরী। ২২ বছরের অপেক্ষার পর পাওয়া জয়ে বাংলাদেশ পেল বহুল প্রত্যাশিত এক জয়।