ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থ উপদেষ্টাকে অবরুদ্ধ করে আন্দোলন : ১৪ জন বরখাস্ত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 117
137

‘সচিবালয় ভাতা’র দাবিতে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদকে টানা ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় অবরুদ্ধ করে আন্দোলন করার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ১৪ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

২০ শতাংশ সচিবালয় ভাতার দাবিতে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদকে গত ১০ ডিসেম্বর অবরুদ্ধ করে রাখেন সচিবালয়ে কর্মরত নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

গত (সোমবার) একাধিক প্রজ্ঞাপনে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করার বিষয়টি জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছিলেন আদালত।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব

বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীরা হলেন— বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির, সহসভাপতি শাহীন গোলাম রাব্বানী, নজরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রোমান গাজী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক আবু বেলাল, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক কামাল হোসেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো. তায়েফুল ইসলাম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক বিপুল রানা বিপ্লব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক মো. আলিমুজ্জামান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র রায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী ইসলামুল হক ও মো. মহসিন আলী, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক ও সংযুক্ত পরিষদের প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অফিস সহায়ক নাসিরুল হক।

২০ শতাংশ সচিবালয় ভাতার দাবিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গত ১০ ডিসেম্বর দুপুর আড়াইটা থেকে অর্থ উপদেষ্টার কক্ষের সামনে অবস্থান নেন। তারা দরজার সামনে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন এবং কোনো অবস্থাতেই উপদেষ্টাকে বের হতে দেননি। পরে রাত ৮টা ১২ মিনিটে পুলিশি নিরাপত্তায় সচিবালয় ত্যাগ করেন অর্থ উপদেষ্টা।

সাবেক আমলারা বলেছেন, এমন সংবেদনশীল স্থানে একজন উপদেষ্টাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখার ঘটনা শুধু নিরাপত্তা ঝুঁকিই তৈরি করেনি, বরং প্রশাসনিক শৃঙ্খলার শঙ্কাজনক চিত্রও উন্মোচন করেছে।

প্রশাসনিক ইতিহাসে ঘটনাটিকে ‘নজিরবিহীন’ বলেও আখ্যা দেন সাবেক শীর্ষ আমলারা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অর্থ উপদেষ্টাকে অবরুদ্ধ করে আন্দোলন : ১৪ জন বরখাস্ত

আপডেট সময় : ০৩:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
137

‘সচিবালয় ভাতা’র দাবিতে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদকে টানা ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় অবরুদ্ধ করে আন্দোলন করার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ১৪ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

২০ শতাংশ সচিবালয় ভাতার দাবিতে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদকে গত ১০ ডিসেম্বর অবরুদ্ধ করে রাখেন সচিবালয়ে কর্মরত নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

গত (সোমবার) একাধিক প্রজ্ঞাপনে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করার বিষয়টি জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছিলেন আদালত।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব

বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীরা হলেন— বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির, সহসভাপতি শাহীন গোলাম রাব্বানী, নজরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রোমান গাজী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক আবু বেলাল, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক কামাল হোসেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো. তায়েফুল ইসলাম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক বিপুল রানা বিপ্লব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক মো. আলিমুজ্জামান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র রায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী ইসলামুল হক ও মো. মহসিন আলী, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক ও সংযুক্ত পরিষদের প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অফিস সহায়ক নাসিরুল হক।

২০ শতাংশ সচিবালয় ভাতার দাবিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গত ১০ ডিসেম্বর দুপুর আড়াইটা থেকে অর্থ উপদেষ্টার কক্ষের সামনে অবস্থান নেন। তারা দরজার সামনে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন এবং কোনো অবস্থাতেই উপদেষ্টাকে বের হতে দেননি। পরে রাত ৮টা ১২ মিনিটে পুলিশি নিরাপত্তায় সচিবালয় ত্যাগ করেন অর্থ উপদেষ্টা।

সাবেক আমলারা বলেছেন, এমন সংবেদনশীল স্থানে একজন উপদেষ্টাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখার ঘটনা শুধু নিরাপত্তা ঝুঁকিই তৈরি করেনি, বরং প্রশাসনিক শৃঙ্খলার শঙ্কাজনক চিত্রও উন্মোচন করেছে।

প্রশাসনিক ইতিহাসে ঘটনাটিকে ‘নজিরবিহীন’ বলেও আখ্যা দেন সাবেক শীর্ষ আমলারা।