আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তার ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’: গোলাম পরওয়ার

- আপডেট সময় : ১১:০৭:৪৭ অপরাহ্ন, রোববার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
- / 2
জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তারকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে তার অবিলম্বে জামিন, কারাগারে ডিভিশন এবং গ্রেপ্তার ও মামলার পুরো বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা ও ট্রলি সংকট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের ঘটনায় আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তবে তাকে কাউকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও তিনি নাকচ করেন। গোলাম পরওয়ারের দাবি, বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলার জেরেই আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে পুলিশের মামলার বিবরণ অনুযায়ী, বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার তাকে গ্রেপ্তারের পর শনিবার আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে রোববার আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, গ্রেপ্তারের সময় আখতারুজ্জামানকে হ্যান্ডকাফ, হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরানো এবং আদালতে হাজির করার বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয়। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রবীণ নাগরিকের সঙ্গে এ ধরনের আচরণের সমালোচনা করেন তিনি। একই সঙ্গে তার কারাগারে ডিভিশন না দেওয়ার অভিযোগ তুলে দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে প্রবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন জামায়াতের এই নেতা। তার ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু প্রবাসী তাকে মুক্তি না দিলে রেমিট্যান্স বন্ধের কথা বলছেন। এতে রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে না দেখে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। পাশাপাশি বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনা তদন্তে কমিটি গঠন এবং এর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তার নিয়ে এর আগে জামায়াত অভিযোগ করেছিল, বিমানবন্দরের ঘটনার তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশ বলেছে, বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা করা হয়েছে।






















