ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় সাভারের রিসোর্টে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 148
170

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় সাভারের একটি রিসোর্টে। গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ভোরে সাভারের মধুমতি মডেল টাউনের গ্রিন জোন রিসোর্টে সাড়ে তিন ঘণ্টার ওই বৈঠকে হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

ওসি আরও বলেন, ওই দিন ভোর ৫টা ২৩ মিনিট থেকে সকাল ৮টা ৫৪ মিনিট পর্যন্ত রিসোর্টের একটি কক্ষে ওই বৈঠক চলে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে মিরপুরের আলমগীর হোসেন রিসোর্টের নাইট ডিউটিরত কর্মী হাবিবুর রহমান সিয়ামের মাধ্যমে ২০৪ নম্বর কক্ষটি বুকিং দেন। পরে রাত ৪টা আট মিনিটে আলমগীরের পরিচয়ে দুই নারী কক্ষে প্রবেশ করে।

তিনি বলেন, এরপর ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে আলমগীর হোসেন আরও একজনকে সঙ্গে নিয়ে ওই কক্ষে অবস্থান নেন। সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে চারজন একসঙ্গে রিসোর্টের ওই কক্ষ ত্যাগ করেন। রিসোর্টে তাদের গতিবিধির সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের পাশাপাশি রিসোর্ট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ ডিগ্রি

গণমাধ্যমের হাতে এসেছে তাদের রিসোর্টে যাতায়াতের সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও ক্লিপ। ওই বৈঠকে তারা হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও তদন্ত চলমান থাকায় এ ব্যাপারে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি স্থানীয় থানা পুলিশ।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে গোয়েন্দা তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ওই সময় কক্ষে হাদি হত্যাচেষ্টায় জড়িত কিলিং মিশনের প্রধান শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান, তার বান্ধবী মারিয়া এবং আলমগীর হোসেনসহ চারজন মিলিত হন।

এ সময় তারা হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে জানান তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় সাভারের রিসোর্টে

আপডেট সময় : ০১:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
170

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় সাভারের একটি রিসোর্টে। গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ভোরে সাভারের মধুমতি মডেল টাউনের গ্রিন জোন রিসোর্টে সাড়ে তিন ঘণ্টার ওই বৈঠকে হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

ওসি আরও বলেন, ওই দিন ভোর ৫টা ২৩ মিনিট থেকে সকাল ৮টা ৫৪ মিনিট পর্যন্ত রিসোর্টের একটি কক্ষে ওই বৈঠক চলে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে মিরপুরের আলমগীর হোসেন রিসোর্টের নাইট ডিউটিরত কর্মী হাবিবুর রহমান সিয়ামের মাধ্যমে ২০৪ নম্বর কক্ষটি বুকিং দেন। পরে রাত ৪টা আট মিনিটে আলমগীরের পরিচয়ে দুই নারী কক্ষে প্রবেশ করে।

তিনি বলেন, এরপর ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে আলমগীর হোসেন আরও একজনকে সঙ্গে নিয়ে ওই কক্ষে অবস্থান নেন। সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে চারজন একসঙ্গে রিসোর্টের ওই কক্ষ ত্যাগ করেন। রিসোর্টে তাদের গতিবিধির সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের পাশাপাশি রিসোর্ট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ ডিগ্রি

গণমাধ্যমের হাতে এসেছে তাদের রিসোর্টে যাতায়াতের সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও ক্লিপ। ওই বৈঠকে তারা হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও তদন্ত চলমান থাকায় এ ব্যাপারে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি স্থানীয় থানা পুলিশ।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে গোয়েন্দা তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ওই সময় কক্ষে হাদি হত্যাচেষ্টায় জড়িত কিলিং মিশনের প্রধান শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান, তার বান্ধবী মারিয়া এবং আলমগীর হোসেনসহ চারজন মিলিত হন।

এ সময় তারা হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে জানান তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।