ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:১৭ অপরাহ্ন, রোববার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 71

টুর্নামেন্ট শুরুর আগের দিন বিসিবি দায়িত্ব নেওয়ায় অনেকেই চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ‘কমিটির দল’ বলতে শুরু করে। সেই দলই এখন মাঠের ক্রিকেটে অদম্য। পরপর দুই ম্যাচে দাপুটে জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে তারা।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও অ্যাডাম রসিংটনের ঝড়ে রোববার সিলেট টাইটান্সকে ৯ উইকেটে হারায় চট্টগ্রাম। আগে ব্যাট করে ১২৬ রানের বেশি করতে পারেনি স্বাগতিক দলটি। জবাবে ২৪ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে যায় চট্টগ্রাম।

বোলারদের নৈপুণ্যে প্রতিপক্ষকে অল্পে আটকে রেখে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ১০ উইকেটে জিতেছিল চট্টগ্রাম। এবার যেন সেই একই পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি করল দলটি। ধারাবাহিকতার নজির দেখালেন নাঈম ও রসিংটন।

বিশ্বকাপের ট্রফি ট্যুর শুরু, বাংলাদেশে আসবে কবে

চার ম্যাচে চট্টগ্রামের এটি তৃতীয় জয়। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সও জিতেছে তিন ম্যাচ। তবে শ্রেয়তর নেট রান রেটের সৌজন্যে এক নম্বরে শেখ মেহেদি হাসানের নেতৃত্বাধীন চট্টগ্রাম। অন্য দিকে পাঁচ ম্যাচে সিলেটের এটি তৃতীয় পরাজয়।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই ঝড় তোলেন নাঈম ও রসিংটন। পাওয়ার প্লেতে ৫২ রান করে ফেলে চট্টগ্রাম। একই ছন্দে এগিয়ে ১২তম ওভারে পূর্ণ হয় দলের ও উদ্বোধনী জুটির একশ রান। পরপর দুই ম্যাচে একশছোঁয়া জুটি গড়লেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার।

বিপিএলে দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারে ২০তম ফিফটি করতে ৩৭ বল খেলেন রসিংটন। আরেক ওপেনার নাঈম ৩৩ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করেন। বিপিএলে এটি তার দশম ও সব মিলিয়ে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাঁহাতি ওপেনারের ১৭তম ফিফটি।

দলের জয় থেকে মাত্র ১২ রান দূরে থাকতে ছক্কা মারতে গিয়ে লং অনে ধরা পড়েন নাঈম। ৪ চার ও ৩ ছক্কায় তিনি করেন ৩৭ বলে ৫২ রান।

পরে সাদমান ইসলামকে নিয়ে বাকি কাজ শেষ করে দেন রসিংটন। ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৫৩ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন ইংলিশ উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মূলত পাওয়ার প্লেতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় সিলেট। প্রথম ছয় ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩৪ রান করতে পারে স্থানীয় দলটি।

সেখান থেকে লড়াই করেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ৪ চার ও ১ ছক্কায় আফগান অলরাউন্ডার খেলেন ৪৪ রানের ইনিংস। এছাড়া রাহাতুল ফেরদৌস জাভেদ ১৭ ও নাসুম আহমেদ ১৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললে একশ পার করে সিলেট।

চট্টগ্রামের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন শেখ মেহেদি হাসান ও মির্জা বেগ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
সিলেট টাইটান্স: ২০ ওভারে ১২৬/৭ (মিরাজ ৫, জাজাই ৪, জাকির ১৫, ইমন ১৭, ব্রুকস ০, আফিফ ৪, ওমরজাই ৪৪, জাভেদ ১৭*, নাসুম ১৩*; শরিফুল ৪-০-২৯-১, মুগ্ধ ১.২-০-১১-১, মেহেদি ৪-০-১৮-২, মির্জা ২.৪-০-২৪-২, তানভির ৪-০-১৭-০, জামাল ৪-০-২৭-১)

চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১৬ ওভারে ১৩০/১ (নাঈম ৫২, রসিংটন ৭৩*, সাদমান ৩*; নাসুম ৪-০-১৯-০, আমির ২-০-১০-০, ওমরজাই ১-০-১৬-০, খালেদ ২-০-২৩-০, মিরাজ ৩-০-২৮-০, জাভেদ ৩-০-২৯-১, ব্রুকস ১-০-৫-০)

ফল: চট্টগ্রাম রয়্যালস ৯ উইকেটে জয়ী

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস

আপডেট সময় : ০৪:৪০:১৭ অপরাহ্ন, রোববার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

টুর্নামেন্ট শুরুর আগের দিন বিসিবি দায়িত্ব নেওয়ায় অনেকেই চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ‘কমিটির দল’ বলতে শুরু করে। সেই দলই এখন মাঠের ক্রিকেটে অদম্য। পরপর দুই ম্যাচে দাপুটে জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে তারা।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও অ্যাডাম রসিংটনের ঝড়ে রোববার সিলেট টাইটান্সকে ৯ উইকেটে হারায় চট্টগ্রাম। আগে ব্যাট করে ১২৬ রানের বেশি করতে পারেনি স্বাগতিক দলটি। জবাবে ২৪ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে যায় চট্টগ্রাম।

বোলারদের নৈপুণ্যে প্রতিপক্ষকে অল্পে আটকে রেখে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ১০ উইকেটে জিতেছিল চট্টগ্রাম। এবার যেন সেই একই পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি করল দলটি। ধারাবাহিকতার নজির দেখালেন নাঈম ও রসিংটন।

বিশ্বকাপের ট্রফি ট্যুর শুরু, বাংলাদেশে আসবে কবে

চার ম্যাচে চট্টগ্রামের এটি তৃতীয় জয়। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সও জিতেছে তিন ম্যাচ। তবে শ্রেয়তর নেট রান রেটের সৌজন্যে এক নম্বরে শেখ মেহেদি হাসানের নেতৃত্বাধীন চট্টগ্রাম। অন্য দিকে পাঁচ ম্যাচে সিলেটের এটি তৃতীয় পরাজয়।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই ঝড় তোলেন নাঈম ও রসিংটন। পাওয়ার প্লেতে ৫২ রান করে ফেলে চট্টগ্রাম। একই ছন্দে এগিয়ে ১২তম ওভারে পূর্ণ হয় দলের ও উদ্বোধনী জুটির একশ রান। পরপর দুই ম্যাচে একশছোঁয়া জুটি গড়লেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার।

বিপিএলে দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারে ২০তম ফিফটি করতে ৩৭ বল খেলেন রসিংটন। আরেক ওপেনার নাঈম ৩৩ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করেন। বিপিএলে এটি তার দশম ও সব মিলিয়ে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাঁহাতি ওপেনারের ১৭তম ফিফটি।

দলের জয় থেকে মাত্র ১২ রান দূরে থাকতে ছক্কা মারতে গিয়ে লং অনে ধরা পড়েন নাঈম। ৪ চার ও ৩ ছক্কায় তিনি করেন ৩৭ বলে ৫২ রান।

পরে সাদমান ইসলামকে নিয়ে বাকি কাজ শেষ করে দেন রসিংটন। ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৫৩ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন ইংলিশ উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মূলত পাওয়ার প্লেতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় সিলেট। প্রথম ছয় ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩৪ রান করতে পারে স্থানীয় দলটি।

সেখান থেকে লড়াই করেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ৪ চার ও ১ ছক্কায় আফগান অলরাউন্ডার খেলেন ৪৪ রানের ইনিংস। এছাড়া রাহাতুল ফেরদৌস জাভেদ ১৭ ও নাসুম আহমেদ ১৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললে একশ পার করে সিলেট।

চট্টগ্রামের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন শেখ মেহেদি হাসান ও মির্জা বেগ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
সিলেট টাইটান্স: ২০ ওভারে ১২৬/৭ (মিরাজ ৫, জাজাই ৪, জাকির ১৫, ইমন ১৭, ব্রুকস ০, আফিফ ৪, ওমরজাই ৪৪, জাভেদ ১৭*, নাসুম ১৩*; শরিফুল ৪-০-২৯-১, মুগ্ধ ১.২-০-১১-১, মেহেদি ৪-০-১৮-২, মির্জা ২.৪-০-২৪-২, তানভির ৪-০-১৭-০, জামাল ৪-০-২৭-১)

চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১৬ ওভারে ১৩০/১ (নাঈম ৫২, রসিংটন ৭৩*, সাদমান ৩*; নাসুম ৪-০-১৯-০, আমির ২-০-১০-০, ওমরজাই ১-০-১৬-০, খালেদ ২-০-২৩-০, মিরাজ ৩-০-২৮-০, জাভেদ ৩-০-২৯-১, ব্রুকস ১-০-৫-০)

ফল: চট্টগ্রাম রয়্যালস ৯ উইকেটে জয়ী