ইংলিশ ক্রিকেটারদের জন্য মধ্যরাতে ‘কারফিউ’ জারি

- আপডেট সময় : ১২:৫৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
- / 130
অ্যাশেজে ভরাডুবির পর ইংলিশ ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সের সঙ্গে হ্যারি ব্রুক-বেন স্টোকসদের মাঠের বাইরের কর্মকাণ্ড নিয়েও চলে তুমুল আলোচনা। সিরিজের মধ্যেই ইংল্যান্ডের একাধিক খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে মদ্যপানের অভিযোগ উঠে। এবার ক্রিকেটারদের কক্ষ্যচূত হওয়া ঠেকানে কঠোর হচ্ছে ইংল্যান্ড, চালু করা হয়েছে মধ্যরাতের কারফিউ।
ইংলিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল তাদের একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে অ্যাশেজ সিরিজ এবং তার আগে নিউজিল্যান্ড সফরে ক্রিকেটারদের অসংযমী আচারণের কারণে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে ইংল্যান্ড। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন দুইটি সাদা বলের সিরিজ এবং আগামী মাসের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আচরণের আনুষ্ঠানিক কোনো নিয়মাবলী ঘোষণা করা করা হলেও, কলম্বো পৌঁছালেই নাকি তাদের আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় হিসেবে দায়িত্ব মনে করিয়ে দেওয়া হবে।
সোসিয়েদেদে শেষ হলো বার্সেলোনার জয়যাত্রা
মধ্যরাতের কারফিউ অনুযায়ী যদি আগে অনুমতি না নেওয়া থাকে তবে প্রতি রাতেই ১২টার আগে দলের হোটেলে ফিরে আসা বাধ্যতামূলক। এর উদ্দেশ্য হলো বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়দের মনোযোগ ঠিক রাখা।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেতে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হওয়া এবং অস্ট্রেলিয়ায় ১১ দিনেই অ্যাশেজ হারের সময় একাধিকবার মধ্যপানের অভিযোগ আছে ইংলিশ ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে। অ্যাশেজ সিরিজের মধ্যবর্তী ছয় দিনের বিরতির সময় একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় মাতাল অবস্থায় বেন ডাকেট রাতে অচেনা পথে ঘুরছেন, যেন কোথায় যেতে হবে বুঝতে পারছেন না।
পার্থে অবস্থানকালে খেলোয়াড়দের অতিরিক্ত মদ্যপান সংক্রান্ত প্রতিবেদনও ছিল, যেখানে তারা একটি কেসিনো কমপ্লেক্স হোটেলে থাকছিলেন। এই ঘটনায় ব্রুককে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার পাউন্ড জরিমানা দিতে হয় এবং ইংল্যান্ডের সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব হারানোরও শঙ্কায় ছিলেন তিনি।
অনেকের মতে, যদি মধ্যরাতের কারফিউ আগে থেকেই থাকত, এই ধরনের ঘটনা এড়ানো যেত। বেন স্টোকস এবং ব্রেন্ডন ম্যাককালাম টেস্ট দলের দায়িত্ব নেওয়ার আগে ইংল্যান্ড দলে এমন ছিল। রব কী-এর পূর্বসূরী এবং ইংল্যান্ড ক্রিকেটের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড্রু স্ট্রাস অ্যাশেজের ২০১৭-১৮ মৌসুমের আগে জনি বেয়ারস্টোর এক কাণ্ডের পরে কারফিউ চালু করেছিলেন। কিন্তু স্টোকস এবং ম্যাককালাম এই নিয়ম বাতিল করেন, তারা খেলোয়াড়দের নিজেদের জীবনযাপনের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন।

























