ঢাকা ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন এমপিদের শপথ নিয়ে সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দিলেন আইন উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 90
109

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ গ্রহণ নিয়ে বিদ্যমান সাংবিধানিক বিধিবিধান ও সম্ভাব্য বিকল্প প্রক্রিয়া সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

তিনি বলেছেন, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সাংবিধানিক শূন্যতা এড়াতে এবং দ্রুততম সময়ে শপথ সম্পন্ন করতে রাষ্ট্রপতি মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সাংবিধানিক সুযোগ রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আইন উপদেষ্টা বলেন, দেশের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বর্তমান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কর্মস্থলে অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী সাধারণত স্পিকার নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ করান। স্পিকার না থাকলে ডেপুটি স্পিকার সেই দায়িত্ব পালন করেন। উনারা না থাকলে অন্য বিধানও আছে।’

সারা দেশে ব্যালট পৌঁছেছে ১১৬ আসনে: ইসি সচিব

তিনি বলেন, ‘কিন্তু বর্তমানে আমাদের স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে একজন নিখোঁজ আছেন। আর অন্যজন জেলে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু মামলা আছে। এমনকি তারা পদত্যাগও করেছেন। ফলে এই পরিস্থিতিতে তাদের মাধ্যমে শপথ পাঠ করানোর কোনো সুযোগ নেই।’

বিকল্প সাংবিধানিক পন্থা বিষয়ে ড. আসিফ নজরুল ব্যাখ্যা করেন, আমাদের আইনে আছে যে, যদি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াতে না পারেন, তবে প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো প্রতিনিধি শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

তিনি বলেন, ‘এছাড়া নির্বাচনের তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়াতে ব্যর্থ হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) মাধ্যমেও শপথ পড়ানোর বিধান রয়েছে। এই দুটি উপায়ের কোনটি কার্যকর করা হবে সেটি সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়।’

উদাহরণ হিসেবে আইন উপদেষ্টা জানান, বিদ্যমান বিকল্পগুলোর মধ্যে একটি হতে পারে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি বা প্রধান বিচারপতি শপথ পড়াতে পারেন। আর যদি কোনো কারণে তিন দিনের মধ্যে সেটি সম্ভব না হয়, তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

ড. আসিফ নজরুল স্পষ্ট করেন যে, সরকার যেকোনো মূল্যে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং দ্রুততম সময়ে সংসদ কার্যক্রম শুরু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন এমপিদের শপথ নিয়ে সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দিলেন আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
109

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ গ্রহণ নিয়ে বিদ্যমান সাংবিধানিক বিধিবিধান ও সম্ভাব্য বিকল্প প্রক্রিয়া সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

তিনি বলেছেন, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সাংবিধানিক শূন্যতা এড়াতে এবং দ্রুততম সময়ে শপথ সম্পন্ন করতে রাষ্ট্রপতি মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সাংবিধানিক সুযোগ রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আইন উপদেষ্টা বলেন, দেশের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বর্তমান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কর্মস্থলে অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী সাধারণত স্পিকার নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ করান। স্পিকার না থাকলে ডেপুটি স্পিকার সেই দায়িত্ব পালন করেন। উনারা না থাকলে অন্য বিধানও আছে।’

সারা দেশে ব্যালট পৌঁছেছে ১১৬ আসনে: ইসি সচিব

তিনি বলেন, ‘কিন্তু বর্তমানে আমাদের স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে একজন নিখোঁজ আছেন। আর অন্যজন জেলে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু মামলা আছে। এমনকি তারা পদত্যাগও করেছেন। ফলে এই পরিস্থিতিতে তাদের মাধ্যমে শপথ পাঠ করানোর কোনো সুযোগ নেই।’

বিকল্প সাংবিধানিক পন্থা বিষয়ে ড. আসিফ নজরুল ব্যাখ্যা করেন, আমাদের আইনে আছে যে, যদি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াতে না পারেন, তবে প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো প্রতিনিধি শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

তিনি বলেন, ‘এছাড়া নির্বাচনের তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়াতে ব্যর্থ হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) মাধ্যমেও শপথ পড়ানোর বিধান রয়েছে। এই দুটি উপায়ের কোনটি কার্যকর করা হবে সেটি সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়।’

উদাহরণ হিসেবে আইন উপদেষ্টা জানান, বিদ্যমান বিকল্পগুলোর মধ্যে একটি হতে পারে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি বা প্রধান বিচারপতি শপথ পড়াতে পারেন। আর যদি কোনো কারণে তিন দিনের মধ্যে সেটি সম্ভব না হয়, তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

ড. আসিফ নজরুল স্পষ্ট করেন যে, সরকার যেকোনো মূল্যে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং দ্রুততম সময়ে সংসদ কার্যক্রম শুরু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।