১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

- আপডেট সময় : ০৯:০৩:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 83
আগামী ১০ মার্চ দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড বা পরিবার কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৩টি জেলার একটি করে ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে উপজেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে, যার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তারা।
গত রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় জানানো হয়, শুরুতে মাত্র দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালানোর পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তীতে তা সম্প্রসারণ করে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশের হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারগুলোকে সুসংগঠিতভাবে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্যের ভিত্তিতে উপকারভোগী নির্বাচন করা হলেও, সেখানে আর্থিক সক্ষমতার তথ্য না থাকায় নির্বাচিত ওয়ার্ডগুলোতে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হবে। এক্ষেত্রে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত এই চারটি শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
ধর্ম নিয়ে যারা ব্যবসা করবে, তাদেরকে কোথাও জায়গা দেয়া হবে না: ধর্মমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা জানিয়েছেন, বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলমান সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোতে প্রায় ৫০ শতাংশ টার্গেটিং ত্রুটি রয়েছে, যার ফলে বিপুল অর্থের অপচয় হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে একাধিক সুবিধাকে একীভূত করে এই ত্রুটি উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব হবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে পাঁচজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। ফ্যামিলি কার্ডের ক্ষেত্রে নারীদের খানা প্রধান হিসেবে বিবেচনা করা হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা শর্তসাপেক্ষে ভাতা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
প্রাথমিকভাবে ঢাকার বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাবগঞ্জে এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে গঠিত কমিটি আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীদের তালিকা চূড়ান্ত করবে। পরবর্তীতে অনুদানের অর্থ সরাসরি ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।























