ইরানকে ঘিরে বড় সামরিক প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের

- আপডেট সময় : ১১:৪৯:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
- / 1
ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির তিনটি বিমানবাহী রণতরী ও দুটি উভচর অবতরণকারী নৌবহর ইরানের আশপাশে মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরাকে ওই মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের নেতৃত্বাধীন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এবং ইউএসএস মেকিন আইল্যান্ডের নেতৃত্বাধীন উভচর নৌবহর সান দিয়েগো থেকে রওনা হয়েছে। মেকিন আইল্যান্ডের সঙ্গে প্রায় ২ হাজার মার্কিন মেরিন সেনা রয়েছে।
ওই কর্মকর্তা জানান, নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের আশপাশে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরী এবং দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপ মোতায়েন থাকবে। তার ভাষায়, এর ফলে ইরানকে মোকাবিলায় মার্কিন নেতৃত্বের হাতে ‘অনেকগুলো বিকল্প’ তৈরি হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ও তার স্ট্রাইক গ্রুপ সান দিয়েগো থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। একই সময়ে ইউএসএস মেকিন আইল্যান্ডের নেতৃত্বাধীন উভচর নৌবহরও যাত্রা করেছে।
এই নৌবহরে মেকিন আইল্যান্ডের পাশাপাশি ইউএসএস অ্যাঙ্কোরেজ ও ইউএসএস জন পি. মুর্থা রয়েছে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন নামে আরও দুটি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে। ফলে রুজভেল্ট পৌঁছালে ওই অঞ্চলে একসঙ্গে তিনটি মার্কিন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ থাকবে। এর পাশাপাশি ইউএসএস বক্সারকে ঘিরে একটি উভচর প্রস্তুতি নৌবহরও ওই অঞ্চলে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক তৎপরতা ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই আরও বাড়ানো হলো। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে টানাপোড়েনের সময় এই নৌবহর মোতায়েনের খবর নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপি জানিয়েছে, নতুন করে প্রায় ৯ হাজার মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানো হচ্ছে। রুজভেল্ট স্ট্রাইক গ্রুপ ও মেকিন আইল্যান্ড উভচর নৌবহরের সদস্যদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এ অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ২০ হাজারের বেশি হতে পারে।
মার্কিন এই সামরিক প্রস্তুতির সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা জোরদারের সম্ভাবনার কথা বলেছেন। তবে কবে বা কী ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, এপি























