ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে বন্ধ হলো ৫ ইউরিয়া সার কারখানা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • / 82
103

গ্যাস রেশনিংয়ের অংশ হিসেবে দেশের পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধের ফলে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহতের আশঙ্কায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন- বিসিআইসি।

বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো হলো- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার কোম্পানি, চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি, আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি এবং বেসরকারিভাবে পরিচালিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি। এর মধ্যে আশুগঞ্জ কারখানায় কয়েক মাস ধরে সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

বিসিআইসি জানিয়েছে, পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানা পূর্ণ ক্ষমতায় চালানোর জন্য প্রতিদিন প্রায় ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। বুধবার থেকে কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছে। তবে বন্ধের আগে থেকেই কারখানাগুলো গ্যাস সরবরাহের সমস্যায় ভুগছিল।

বাজারে সবজির দাম স্থিতিশীল, মুরগির বাজার চড়া

সূত্র আরও জানা যায়, ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার কোম্পানি সার কারখানাটি গ্যাস সংকটে বন্ধ হওয়ার পর গুদামে ৫ লাখ ২৫ মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে। কারখানাটিতে নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পাওয়া গেলেও উৎপাদন চালিয়ে রাখা যায়।

চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) কর্তৃপক্ষ জানায়, সিইউএফএল স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন করে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দীর্ঘ ৬ মাস বন্ধ থাকার পর কারখানাটি সম্প্রতি চালু হয়। সব প্রক্রিয়া শেষে আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়ার কথা। এ মুহুর্তে সেটি বন্ধ হয়ে গেলো।

অন্যদিকে কাফকোর দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ৭২৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া এবং প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন অ্যামোনিয়া। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় বর্তমানে এই বিপুল পরিমাণ উৎপাদন স্থগিত রয়েছে।

তবে কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি সাময়িক, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই দ্রুত উৎপাদন পুনরায় চালু করে বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে বন্ধ হলো ৫ ইউরিয়া সার কারখানা

আপডেট সময় : ০৫:১৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
103

গ্যাস রেশনিংয়ের অংশ হিসেবে দেশের পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধের ফলে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহতের আশঙ্কায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন- বিসিআইসি।

বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো হলো- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার কোম্পানি, চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি, আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি এবং বেসরকারিভাবে পরিচালিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি। এর মধ্যে আশুগঞ্জ কারখানায় কয়েক মাস ধরে সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

বিসিআইসি জানিয়েছে, পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানা পূর্ণ ক্ষমতায় চালানোর জন্য প্রতিদিন প্রায় ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। বুধবার থেকে কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছে। তবে বন্ধের আগে থেকেই কারখানাগুলো গ্যাস সরবরাহের সমস্যায় ভুগছিল।

বাজারে সবজির দাম স্থিতিশীল, মুরগির বাজার চড়া

সূত্র আরও জানা যায়, ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার কোম্পানি সার কারখানাটি গ্যাস সংকটে বন্ধ হওয়ার পর গুদামে ৫ লাখ ২৫ মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে। কারখানাটিতে নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পাওয়া গেলেও উৎপাদন চালিয়ে রাখা যায়।

চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) কর্তৃপক্ষ জানায়, সিইউএফএল স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন করে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দীর্ঘ ৬ মাস বন্ধ থাকার পর কারখানাটি সম্প্রতি চালু হয়। সব প্রক্রিয়া শেষে আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়ার কথা। এ মুহুর্তে সেটি বন্ধ হয়ে গেলো।

অন্যদিকে কাফকোর দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ৭২৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া এবং প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন অ্যামোনিয়া। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় বর্তমানে এই বিপুল পরিমাণ উৎপাদন স্থগিত রয়েছে।

তবে কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি সাময়িক, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই দ্রুত উৎপাদন পুনরায় চালু করে বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।