ঢাকা ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ প্রাঙ্গনে প্রথম ঈদের নামাজ

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
  • / 71

পশ্চিম বঙ্গের মুর্শিদাবাদে প্রস্তাবিত ‘বাবরি মসজিদ’ প্রাঙ্গণে প্রথমবার ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হলো। এই উপলক্ষে বীরভূম, নদীয়া, পূর্ব মেদিনীপুর এমনকি প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড থেকেও হাজার হাজার মানুষ এসেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে প্রস্তাবিত ‘বাবরি মসজিদ’ প্রাঙ্গণে এই প্রথমবার ঈদের নামাজ পড়া হলো।

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে বীরভূম, নদীয়া, পূর্ব মেদিনীপুরের মতো বিভিন্ন জেলা তো বটেই, এমনকি প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড থেকেও হাজার হাজার মানুষ এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপনে ইরানের মসজিদগুলোতে মানুষের ঢল

এই নামাজের মূল আয়োজক এবং আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (AJUP) প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর অন্য কাজে ব্যস্ত থাকায় নিজে আসতে পারেননি। তবে তিনি ফোনে উপস্থিত সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং এই দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

এই আয়োজন সফল হওয়ায় নামাজ পড়তে আসা মানুষেরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাঁরা মনে করছেন, এই ঘটনা স্থানীয় সম্প্রদায় এবং প্রস্তাবিত মসজিদ প্রকল্পের জন্য একটি মাইলফলক।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় এক ব্যক্তি বলেন, “এখানে সফলভাবে ঈদের নামাজ আয়োজন হওয়ায় আমরা খুব খুশি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত, এমনকি ঝাড়খণ্ড থেকেও মানুষ এসেছেন। বাংলার বিখ্যাত মিষ্টিও বিলি করা হয়েছে। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, হুমায়ুন কবীর নিজে আসতে না পারলেও ফোন করে আমাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।”

আরেকজন বলেন, “আমরা মসজিদের শিলান্যাসের দিনও এসেছিলাম, আবার এলাম। খুব ভালো লাগছে। আবহাওয়া ভালো ছিল, কোনও সমস্যা হয়নি। নামাজ খুব ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”

আয়োজকদের পক্ষ থেকে উপস্থিত জনতার মধ্যে সেমাই ও ফিরনির মতো সুস্বাদু মিষ্টিও বিতরণ করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ প্রাঙ্গনে প্রথম ঈদের নামাজ

আপডেট সময় : ০৩:২১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

পশ্চিম বঙ্গের মুর্শিদাবাদে প্রস্তাবিত ‘বাবরি মসজিদ’ প্রাঙ্গণে প্রথমবার ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হলো। এই উপলক্ষে বীরভূম, নদীয়া, পূর্ব মেদিনীপুর এমনকি প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড থেকেও হাজার হাজার মানুষ এসেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে প্রস্তাবিত ‘বাবরি মসজিদ’ প্রাঙ্গণে এই প্রথমবার ঈদের নামাজ পড়া হলো।

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে বীরভূম, নদীয়া, পূর্ব মেদিনীপুরের মতো বিভিন্ন জেলা তো বটেই, এমনকি প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড থেকেও হাজার হাজার মানুষ এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপনে ইরানের মসজিদগুলোতে মানুষের ঢল

এই নামাজের মূল আয়োজক এবং আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (AJUP) প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর অন্য কাজে ব্যস্ত থাকায় নিজে আসতে পারেননি। তবে তিনি ফোনে উপস্থিত সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং এই দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

এই আয়োজন সফল হওয়ায় নামাজ পড়তে আসা মানুষেরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাঁরা মনে করছেন, এই ঘটনা স্থানীয় সম্প্রদায় এবং প্রস্তাবিত মসজিদ প্রকল্পের জন্য একটি মাইলফলক।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় এক ব্যক্তি বলেন, “এখানে সফলভাবে ঈদের নামাজ আয়োজন হওয়ায় আমরা খুব খুশি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত, এমনকি ঝাড়খণ্ড থেকেও মানুষ এসেছেন। বাংলার বিখ্যাত মিষ্টিও বিলি করা হয়েছে। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, হুমায়ুন কবীর নিজে আসতে না পারলেও ফোন করে আমাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।”

আরেকজন বলেন, “আমরা মসজিদের শিলান্যাসের দিনও এসেছিলাম, আবার এলাম। খুব ভালো লাগছে। আবহাওয়া ভালো ছিল, কোনও সমস্যা হয়নি। নামাজ খুব ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”

আয়োজকদের পক্ষ থেকে উপস্থিত জনতার মধ্যে সেমাই ও ফিরনির মতো সুস্বাদু মিষ্টিও বিতরণ করা হয়।