৮ মাসে বাংলাদেশের প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার বিদেশি ঋণ শোধ

- আপডেট সময় : ১০:৫৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
- / 81
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে দেশে যে পরিমাণ বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান এসেছে, তার প্রায় সমপরিমাণ অর্থই ব্যয় হয়েছে ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে ৩০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার ঋণ ও অনুদান পাওয়া গেলেও বিপরীতে পাওনাদার দেশ ও সংস্থাসমূহকে পরিশোধ করতে হয়েছে প্রায় ২৯০ কোটি ডলার।
বিগত কয়েক বছর ধরেই বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ ক্রমাগত বাড়ছে, যার ধারাবাহিকতায় গত অর্থবছরে ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হয়েছিল। সরকারি তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আলোচ্য আট মাসে সরকার ঋণের আসল বাবদ ১৯৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং সুদ বাবদ ৯৫ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে। অন্যদিকে প্রাপ্ত অর্থের মধ্যে ২৭৯ কোটি ডলার এসেছে ঋণ হিসেবে এবং ২৬ কোটি ডলার পাওয়া গেছে অনুদান হিসেবে। তবে ঋণের প্রতিশ্রুতির ক্ষেত্রে গত বছরের তুলনায় সামান্য অগ্রগতি দেখা গেছে। চলতি অর্থবছরের এই সময়ে বাংলাদেশ ২৪৩ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ২৩৫ কোটি ডলার।
তেল আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শে রাশিয়াকে চিঠি বাংলাদেশের
তালিকায় ঋণ ছাড়ের দিক থেকে সবার উপরে রয়েছে রাশিয়া, যারা গত আট মাসে ৭৫ কোটি ৫১ লাখ ডলার দিয়েছে। এরপরই বিশ্বব্যাংকের অবস্থান ৬৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার নিয়ে। এছাড়া এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ৫৬ কোটি ৬১ লাখ ডলার, ভারত ২৫ কোটি ৭৭ লাখ ডলার, চীন ২৫ কোটি ডলার এবং জাপান প্রায় ১৯ কোটি ডলার ঋণ ছাড় করেছে। সার্বিক এই ঋণের বোঝা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এনবিআরের এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন যে, বর্তমান সরকার পূর্বের মতো দেশি-বিদেশি ঋণের বোঝা আর বাড়াতে আগ্রহী নয়।























