ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • / 92
103

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপজুড়ে বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নেমেছেন বিক্ষোভকারীরা। ট্রাম্পবিরোধী এই ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে স্থানীয় সময় শনিবার উত্তাল হয়ে ওঠে রাজপথ। আগ্রাসী অভিবাসন নীতি ও ইরান যুদ্ধসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিক্ষোভকারীরা এই কর্মসূচিতে রাস্তায় নামেন বলে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

এবিসি নিউজ বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য এবং লন্ডন, প্যারিস ও রোমসহ বিভিন্ন দেশের বেশ কয়েকটি শহরে অসংখ্য মানুষ জড়ো হন। পরিকল্পনা করা হয় ৩২০০টিরও বেশি কর্মসূচির।

এর আগের দুই দফা ‘নো কিংস’ কর্মসূচিতে লাখ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। এবার আয়োজন করা হয় তৃতীয় দফা বিক্ষোভের। আয়োজকরা বলছেন, শনিবারের এই কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একদিনে অনুষ্ঠিত হওয়া বৃহত্তম প্রতিবাদ।

ইরান যুদ্ধ: সামরিক অভিযান গুটিয়ে নিতে চান ট্রাম্প

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কঠোর পদক্ষেপ এবং ডেমোক্র্যাট-শাসিত শহরাঞ্চলে ফেডারেল অভিবাসন এজেন্টদের অনুপ্রবেশের কারণে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হওয়া মিনেসোটার স্টেট ক্যাপিটলে বড় ধরনের জমায়েত হয়। নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং ওয়াশিংটনেও অন্যান্য বড় সমাবেশ হয়।

ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলে বিক্ষোভকারীরা গণতন্ত্রপন্থী স্লোগান দেন এবং ট্রাম্প-বিরোধী প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। টেক্সাসের অস্টিনে, শহরের কেন্দ্রস্থলে মিছিলের আগে বিক্ষোভকারীরা সিটি হলের বাইরে জড়ো হলে একটি ব্রাস ব্যান্ড আবহ সঙ্গীত পরিবেশন করেন। মিডটাউন ম্যানহাটনে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। যেখানে অন্যতম আয়োজক ছিলেন অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো।

এবিসি নিউজ জানিয়েছে, ইউরোপ থেকে লাতিন আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত আরও এক ডজনেরও বেশি দেশে বিক্ষোভ হয়েছে। রোমে হাজার হাজার মানুষ ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে লক্ষ্য করে প্রতিবাদী স্লোগান দিয়ে মিছিল করেছেন। বিক্ষোভকারীরা ইরানের ওপর ইসরায়েল ও মার্কিন হামলার প্রতিবাদে ব্যানারও নেড়েছেন।

লন্ডনে, যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীরা ‘চরম ডানপন্থীদের থামাও’ এবং ‘বর্ণবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’-এর মতো স্লোগান লেখা ব্যানার প্রদর্শন করেছেন। প্যারিসে, ফ্রান্সে বসবাসকারী আমেরিকানদের অধিকাংশইসহ কয়েক শ মানুষ শ্রমিক ইউনিয়ন এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সাথে সমবেত হয়েছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ১২:১৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
103

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপজুড়ে বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নেমেছেন বিক্ষোভকারীরা। ট্রাম্পবিরোধী এই ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে স্থানীয় সময় শনিবার উত্তাল হয়ে ওঠে রাজপথ। আগ্রাসী অভিবাসন নীতি ও ইরান যুদ্ধসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিক্ষোভকারীরা এই কর্মসূচিতে রাস্তায় নামেন বলে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

এবিসি নিউজ বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য এবং লন্ডন, প্যারিস ও রোমসহ বিভিন্ন দেশের বেশ কয়েকটি শহরে অসংখ্য মানুষ জড়ো হন। পরিকল্পনা করা হয় ৩২০০টিরও বেশি কর্মসূচির।

এর আগের দুই দফা ‘নো কিংস’ কর্মসূচিতে লাখ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। এবার আয়োজন করা হয় তৃতীয় দফা বিক্ষোভের। আয়োজকরা বলছেন, শনিবারের এই কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একদিনে অনুষ্ঠিত হওয়া বৃহত্তম প্রতিবাদ।

ইরান যুদ্ধ: সামরিক অভিযান গুটিয়ে নিতে চান ট্রাম্প

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কঠোর পদক্ষেপ এবং ডেমোক্র্যাট-শাসিত শহরাঞ্চলে ফেডারেল অভিবাসন এজেন্টদের অনুপ্রবেশের কারণে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হওয়া মিনেসোটার স্টেট ক্যাপিটলে বড় ধরনের জমায়েত হয়। নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং ওয়াশিংটনেও অন্যান্য বড় সমাবেশ হয়।

ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলে বিক্ষোভকারীরা গণতন্ত্রপন্থী স্লোগান দেন এবং ট্রাম্প-বিরোধী প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। টেক্সাসের অস্টিনে, শহরের কেন্দ্রস্থলে মিছিলের আগে বিক্ষোভকারীরা সিটি হলের বাইরে জড়ো হলে একটি ব্রাস ব্যান্ড আবহ সঙ্গীত পরিবেশন করেন। মিডটাউন ম্যানহাটনে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। যেখানে অন্যতম আয়োজক ছিলেন অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো।

এবিসি নিউজ জানিয়েছে, ইউরোপ থেকে লাতিন আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত আরও এক ডজনেরও বেশি দেশে বিক্ষোভ হয়েছে। রোমে হাজার হাজার মানুষ ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে লক্ষ্য করে প্রতিবাদী স্লোগান দিয়ে মিছিল করেছেন। বিক্ষোভকারীরা ইরানের ওপর ইসরায়েল ও মার্কিন হামলার প্রতিবাদে ব্যানারও নেড়েছেন।

লন্ডনে, যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীরা ‘চরম ডানপন্থীদের থামাও’ এবং ‘বর্ণবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’-এর মতো স্লোগান লেখা ব্যানার প্রদর্শন করেছেন। প্যারিসে, ফ্রান্সে বসবাসকারী আমেরিকানদের অধিকাংশইসহ কয়েক শ মানুষ শ্রমিক ইউনিয়ন এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সাথে সমবেত হয়েছিলেন।