ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি এনসিপির

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • / 5

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর এবার তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

তিনি বলেন, মো. সাহাবুদ্দিন তার পদত্যাগপত্রে এমনভাবে অসুস্থতার ন্যারেটিভ সাজিয়েছেন, যাতে তাকে সেইফ এক্সিট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাই, তাকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতারে করে বিচারের আওতায় আনার।

এনসিপির সদস্য সচিব দাবি করেন, জুলাই গণহত্যার পরেও যদি মো. সাহাবুদ্দিন ছাড় পেয়ে যায়, তাহলে বর্তমান সরকারের প্রতি দেশের মানুষের আস্থা থাকবে না। তাই তাকে গ্রেফতারের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে সোপর্দ করতে হবে।

সদ্য পদত্যাগকারী এই রাষ্ট্রপতিকে ফ্যাসিবাদের দোসর উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, সে যদি বিচারের আওতায় না আসে তাহলে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের বিচার অপূর্ণাঙ্গ থেকে যাবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি এনসিপির

আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর এবার তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

তিনি বলেন, মো. সাহাবুদ্দিন তার পদত্যাগপত্রে এমনভাবে অসুস্থতার ন্যারেটিভ সাজিয়েছেন, যাতে তাকে সেইফ এক্সিট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাই, তাকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতারে করে বিচারের আওতায় আনার।

এনসিপির সদস্য সচিব দাবি করেন, জুলাই গণহত্যার পরেও যদি মো. সাহাবুদ্দিন ছাড় পেয়ে যায়, তাহলে বর্তমান সরকারের প্রতি দেশের মানুষের আস্থা থাকবে না। তাই তাকে গ্রেফতারের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে সোপর্দ করতে হবে।

সদ্য পদত্যাগকারী এই রাষ্ট্রপতিকে ফ্যাসিবাদের দোসর উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, সে যদি বিচারের আওতায় না আসে তাহলে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের বিচার অপূর্ণাঙ্গ থেকে যাবে।