ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাপানে ৭.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / 8

জাপানে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ১। এর পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া সংস্থা।

এদিকে ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। এতে সর্বোচ্চ এক মিটার উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত উঁচু স্থানে সরে যেতে এবং সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে কুমামোতো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা ও মিয়াজাকি প্রিফেকচারের জন্য জরুরি ভূমিকম্প সতর্কতা জারি করেছে জাপান সরকার। সব এলাকাই দক্ষিণের কিউশু দ্বীপে অবস্থিত।

এর আগে গত ২৫ জুন জাপানের উত্তরাঞ্চলে ৭ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে এতে কোনও প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।সংবাদ শিরোনাম

বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি জাপান। দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলের পশ্চিম প্রান্তে চারটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। প্রায় ১২ কোটি ৫০ লাখ মানুষের এ দেশটিতে প্রতি বছর শত শত ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

বিশ্বের মোট ভূমিকম্পের প্রায় ১৮ শতাংশ জাপানেই ঘটে। এর বেশিরভাগই তুলনামূলক কম মাত্রার হলেও, ভূমিকম্পের অবস্থান ও ভূগর্ভে কত গভীরে উৎপত্তি হয়েছে, তার ওপর ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ভর করে।

২০১১ সালের ৯ মাত্রার ভয়াবহ সমুদ্রগর্ভস্থ ভূমিকম্প এবং তার পরের সুনামিতে প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ জন নিহত বা নিখোঁজ হন। ওই দুর্যোগে ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

আর চলতি বছরের ২০ এপ্রিল দেশটির উত্তরাঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে অন্তত ১০ জন আহত হন। টোকিওর বড় বড় ভবনও কেঁপে ওঠে।

এরপর ৮ মাত্রা বা তার বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঝুঁকি বেড়েছে বলে সতর্কতা জারি করেছিল কর্তৃপক্ষ। যদিও এক সপ্তাহ পর সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জাপানে ৭.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

আপডেট সময় : ০৩:২৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

জাপানে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ১। এর পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া সংস্থা।

এদিকে ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। এতে সর্বোচ্চ এক মিটার উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত উঁচু স্থানে সরে যেতে এবং সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে কুমামোতো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা ও মিয়াজাকি প্রিফেকচারের জন্য জরুরি ভূমিকম্প সতর্কতা জারি করেছে জাপান সরকার। সব এলাকাই দক্ষিণের কিউশু দ্বীপে অবস্থিত।

এর আগে গত ২৫ জুন জাপানের উত্তরাঞ্চলে ৭ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে এতে কোনও প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।সংবাদ শিরোনাম

বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি জাপান। দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলের পশ্চিম প্রান্তে চারটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। প্রায় ১২ কোটি ৫০ লাখ মানুষের এ দেশটিতে প্রতি বছর শত শত ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

বিশ্বের মোট ভূমিকম্পের প্রায় ১৮ শতাংশ জাপানেই ঘটে। এর বেশিরভাগই তুলনামূলক কম মাত্রার হলেও, ভূমিকম্পের অবস্থান ও ভূগর্ভে কত গভীরে উৎপত্তি হয়েছে, তার ওপর ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ভর করে।

২০১১ সালের ৯ মাত্রার ভয়াবহ সমুদ্রগর্ভস্থ ভূমিকম্প এবং তার পরের সুনামিতে প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ জন নিহত বা নিখোঁজ হন। ওই দুর্যোগে ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

আর চলতি বছরের ২০ এপ্রিল দেশটির উত্তরাঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে অন্তত ১০ জন আহত হন। টোকিওর বড় বড় ভবনও কেঁপে ওঠে।

এরপর ৮ মাত্রা বা তার বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঝুঁকি বেড়েছে বলে সতর্কতা জারি করেছিল কর্তৃপক্ষ। যদিও এক সপ্তাহ পর সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।