আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক তদন্ত শুরু ফিফার
- আপডেট সময় : ১২:৪১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
- / 9
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল এবং পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনার জেরে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে শাস্তিমূলক তদন্ত শুরু করেছে ফিফা।
রোববার (১৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর নাহুয়েল মলিনা দৌড়ে মাঠে গিয়ে স্পেনের অধিনায়ক রদ্রিকে পেটে আঘাত করেছেন বলে দেখা যায়।
একই সময়ে মাঝমাঠে লিয়ান্দ্রো পারদেস স্পেনের এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন এবং পরবর্তীতে গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। বিশৃঙ্খলার একপর্যায়ে আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালাকে স্পেনের দানি ওলমোকে লক্ষ্য করে ঘুষি চালাতে দেখা যায়। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আয়ালা ঘুষি মারতে এলে তাকে হাত দিয়ে সরিয়ে দেন এরিক গার্সিয়া।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ম্যাচের রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ পারদেসকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি পরিস্থিতি শান্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা করেন।
এই ঘটনায় কী ঘটেছিল তা খতিয়ে গত সপ্তাহে একজন স্বাধীন ডিসিপ্লিনারি ও এথিকস প্রসিকিউটর নিয়োগ দেয় ফিফা। যিনি ফাইনালের শেষ বাঁশির পর ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো পর্যালোচনা করেন।
প্রসিকিউটরের সুপারিশের ভিত্তিতে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনা (দুই অভিযোগ), মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারদেস (তিন অভিযোগ) এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে ফিফার শৃঙ্খলা বিধির ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শারীরিক হামলার অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে।
এ ছাড়া মলিনার বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের আরও একটি পৃথক অভিযোগও আনা হয়েছে। একই অভিযোগে আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদা এবং স্পেনের মিডফিল্ডার গাভির বিরুদ্ধেও শৃঙ্খলাভঙ্গের তদন্ত চলছে।
ফিফার ফিফার শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় বা অফিশিয়াল অসদাচরণের জন্য দোষী প্রমাণিত হলে তাকে কমপক্ষে ১ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা এবং শারীরিক আক্রমণ বা সহিংসতার দায়ে দোষী হলে অন্তত ৩ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হয়।
শুধু নির্দিষ্ট কয়েকজন খেলোয়াড়ই নন, আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)-এর বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগে তদন্ত চলছে। এর মধ্যে রয়েছে ক্রীড়াসুলভ নয় এমন রাজনৈতিক বার্তা প্রচার (ধারা ১৩), দলীয় অসদাচরণ (ধারা ১৪), বর্ণবাদ ও বৈষম্যমূলক আচরণ (ধারা ১৫), এবং ম্যাচের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করা (ধারা ১৭)।
তদন্ত শেষে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি অভিযোগগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।



























সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সার্কিট হাউসে শীর্ষ নেতারা