ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেসারদের দাপটে ১৯৮ রানে অলআউট অস্ট্রেলিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / 7

ডারউইন টেস্টে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিলেন বাংলাদেশের পেসাররা। তাদের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস থেমেছে ১৯৮ রানে। ৫৩ ওভারে অলআউট হওয়া অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন হাসান মাহমুদ। ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি, যা টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের তৃতীয়সেরা বোলিং।

হাসানকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেন। দুজনই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।

ডারউইনের বাউন্সি উইকেটে নতুন বলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে চাপ তৈরি করেন হাসান ও তাসকিন। দুই সেশনে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপকে বিপর্যস্ত করে বাংলাদেশ।

প্রথম সেশনে চার উইকেট হারিয়ে ৭৪ রান করে অস্ট্রেলিয়া। শুরুতে হাসানের সুইং ও বাড়তি বাউন্স সামলাতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার। ২৩ রান করে ফিরেছেন একজন, আরেক ওপেনার ট্রাভিস হেড ফেরেন ২২ রানে। দুজনকেই ফেরান হাসান।

এরপর মার্নাস ল্যাবুশেনকে মাত্র ১ রানে ফেরান এবাদত। তার আগে স্টিভ স্মিথের একটি ক্যাচ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। তবে পরের ওভারেই ল্যাবুশেনকে ফিরিয়ে সেই আক্ষেপ কিছুটা দূর করেন এবাদত।

দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করান ক্যামেরন গ্রিন। তবে ১৩ রান করে তাসকিনের বলে মুশফিকুর রহিমের হাতে ধরা পড়েন তিনি। লাঞ্চে ৪ উইকেটে ৭৪ রান নিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।

লাঞ্চের পর স্টিভ স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারি ৫৫ রানের জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে সাময়িক স্বস্তি দেন। তবে ১৯ রান করা ক্যারিকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন এবাদত।

এরপর বো ওয়েবস্টারকে ১২ রানে বোল্ড করেন তাসকিন। প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ককেও দ্রুত ফিরিয়ে দেন হাসান মাহমুদ। দুজনের কেউই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি।

শেষ পর্যন্ত হাসানের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ও তাসকিন-এবাদতের কার্যকর বোলিংয়ে ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। দুই সেশনেই দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পেসারদের দাপটে ১৯৮ রানে অলআউট অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় : ১২:২৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ডারউইন টেস্টে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিলেন বাংলাদেশের পেসাররা। তাদের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস থেমেছে ১৯৮ রানে। ৫৩ ওভারে অলআউট হওয়া অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন হাসান মাহমুদ। ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি, যা টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের তৃতীয়সেরা বোলিং।

হাসানকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেন। দুজনই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।

ডারউইনের বাউন্সি উইকেটে নতুন বলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে চাপ তৈরি করেন হাসান ও তাসকিন। দুই সেশনে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপকে বিপর্যস্ত করে বাংলাদেশ।

প্রথম সেশনে চার উইকেট হারিয়ে ৭৪ রান করে অস্ট্রেলিয়া। শুরুতে হাসানের সুইং ও বাড়তি বাউন্স সামলাতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার। ২৩ রান করে ফিরেছেন একজন, আরেক ওপেনার ট্রাভিস হেড ফেরেন ২২ রানে। দুজনকেই ফেরান হাসান।

এরপর মার্নাস ল্যাবুশেনকে মাত্র ১ রানে ফেরান এবাদত। তার আগে স্টিভ স্মিথের একটি ক্যাচ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। তবে পরের ওভারেই ল্যাবুশেনকে ফিরিয়ে সেই আক্ষেপ কিছুটা দূর করেন এবাদত।

দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করান ক্যামেরন গ্রিন। তবে ১৩ রান করে তাসকিনের বলে মুশফিকুর রহিমের হাতে ধরা পড়েন তিনি। লাঞ্চে ৪ উইকেটে ৭৪ রান নিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।

লাঞ্চের পর স্টিভ স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারি ৫৫ রানের জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে সাময়িক স্বস্তি দেন। তবে ১৯ রান করা ক্যারিকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন এবাদত।

এরপর বো ওয়েবস্টারকে ১২ রানে বোল্ড করেন তাসকিন। প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ককেও দ্রুত ফিরিয়ে দেন হাসান মাহমুদ। দুজনের কেউই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি।

শেষ পর্যন্ত হাসানের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ও তাসকিন-এবাদতের কার্যকর বোলিংয়ে ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। দুই সেশনেই দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশ।