ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / 30

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধে প্রায় সাড়ে ৪ মাস পর শাস্তির রায় পেলেন ডেভিড ওয়ার্নার। অস্ট্রেলিয়ার এই সাবেক তারকা ওপেনারকে ১ হাজার ৫০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার (১ লাখ ৩০ হাজার টাকার বেশি) জরিমানা করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি ১২ মাসের জন্য তার ড্রাইভিং লাইসেন্সে ‘ইন্টারলক’ ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গাড়ি চালানোর আগে তাকে এমন একটি ব্রেথালাইজার যন্ত্রে ফুঁ দিতে হবে, যাতে অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়লে গাড়ির ইঞ্জিন চালু হবে না।

সিডনির ওয়েভারলি লোকাল কোর্টে মঙ্গলবার ওয়ার্নারের বিরুদ্ধে জোড়া শাস্তির রায় ঘোষণা করা হয়। ৩৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার গত মাসে ‘মাঝারি মাত্রার’ মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ স্বীকার করেছিলেন।

ওয়ার্নারের মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর ঘটনাটি ঘটে গত এপ্রিলে। একটি ভ্যানে করে যাওয়ার সময় পুলিশের একটি চেকপয়েন্টের কাছাকাছি গিয়ে থামতে চেয়েছিলেন ওয়ার্নার। পরে তার শ্বাসপ্রশ্বাস পরীক্ষা করা হয় ও আটক করে নেওয়া হয় পুলিশ স্টেশনে।

আদালতে ওয়ার্নারের আইনজীবী আওয়াইস আহমেদ তার মক্কেলের সিদ্ধান্তকে ‘অসতর্ক, আবেগপ্রবণ ও সত্যিই বোকামিপূর্ণ’ বলে বর্ণনা করেন। তবে তিনি জানান, ওয়ার্নার নিজের ভুলের দায় নিয়েছেন ও ট্রাফিক অপরাধীদের জন্য নির্ধারিত একটি সংশোধনমূলক কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন।

ওয়ার্নারের বিরুদ্ধে মামলাটি ঘিরে গণমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারণার কথাও আদালতে তুলে ধরেন তার আইনজীবী। ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হওয়ার কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও ওয়ার্নারকে জনসমক্ষে সমালোচনার মুখে পড়তে হবে।

পুলিশের বরাত দিয়ে অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, গাড়িতে ওঠার আগে ওয়ার্নার তিন গ্লাস ওয়াইন পান করেছিলেন। এরপর পরিবারের কাছে ফেরার জন্য তিনি গাড়ি চালান।

রায়ের সময় বিচারক ক্লেয়ার ফারনান সতর্ক করে বলেন, রাস্তায় একটি ভুল সিদ্ধান্তও গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। সৌভাগ্যবশত ওই সিদ্ধান্ত অন্য মানুষের জন্য কোনো বিপদ তৈরি করেনি, যদিও এর পরিণতি ওয়ার্নারকে ভোগ করতে হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি

আপডেট সময় : ০১:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধে প্রায় সাড়ে ৪ মাস পর শাস্তির রায় পেলেন ডেভিড ওয়ার্নার। অস্ট্রেলিয়ার এই সাবেক তারকা ওপেনারকে ১ হাজার ৫০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার (১ লাখ ৩০ হাজার টাকার বেশি) জরিমানা করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি ১২ মাসের জন্য তার ড্রাইভিং লাইসেন্সে ‘ইন্টারলক’ ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গাড়ি চালানোর আগে তাকে এমন একটি ব্রেথালাইজার যন্ত্রে ফুঁ দিতে হবে, যাতে অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়লে গাড়ির ইঞ্জিন চালু হবে না।

সিডনির ওয়েভারলি লোকাল কোর্টে মঙ্গলবার ওয়ার্নারের বিরুদ্ধে জোড়া শাস্তির রায় ঘোষণা করা হয়। ৩৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার গত মাসে ‘মাঝারি মাত্রার’ মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ স্বীকার করেছিলেন।

ওয়ার্নারের মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর ঘটনাটি ঘটে গত এপ্রিলে। একটি ভ্যানে করে যাওয়ার সময় পুলিশের একটি চেকপয়েন্টের কাছাকাছি গিয়ে থামতে চেয়েছিলেন ওয়ার্নার। পরে তার শ্বাসপ্রশ্বাস পরীক্ষা করা হয় ও আটক করে নেওয়া হয় পুলিশ স্টেশনে।

আদালতে ওয়ার্নারের আইনজীবী আওয়াইস আহমেদ তার মক্কেলের সিদ্ধান্তকে ‘অসতর্ক, আবেগপ্রবণ ও সত্যিই বোকামিপূর্ণ’ বলে বর্ণনা করেন। তবে তিনি জানান, ওয়ার্নার নিজের ভুলের দায় নিয়েছেন ও ট্রাফিক অপরাধীদের জন্য নির্ধারিত একটি সংশোধনমূলক কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন।

ওয়ার্নারের বিরুদ্ধে মামলাটি ঘিরে গণমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারণার কথাও আদালতে তুলে ধরেন তার আইনজীবী। ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হওয়ার কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও ওয়ার্নারকে জনসমক্ষে সমালোচনার মুখে পড়তে হবে।

পুলিশের বরাত দিয়ে অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, গাড়িতে ওঠার আগে ওয়ার্নার তিন গ্লাস ওয়াইন পান করেছিলেন। এরপর পরিবারের কাছে ফেরার জন্য তিনি গাড়ি চালান।

রায়ের সময় বিচারক ক্লেয়ার ফারনান সতর্ক করে বলেন, রাস্তায় একটি ভুল সিদ্ধান্তও গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। সৌভাগ্যবশত ওই সিদ্ধান্ত অন্য মানুষের জন্য কোনো বিপদ তৈরি করেনি, যদিও এর পরিণতি ওয়ার্নারকে ভোগ করতে হয়েছে।