ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকারের নতুন পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:০১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 6

সাময়িক সংকটকালীন সময়ে শিল্পখাত যাতে গ্যাস সংকটে না পড়ে, সেজন্য সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খনন, ২ডি ও ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনা এবং সমুদ্রাঞ্চলের ২৬টি ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি স্থলভাগে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ Onshore Model PSC 2026 প্রণয়নের কার্যক্রম চলছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গড়ে দৈনিক ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব।

ভবিষ্যৎ গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মহেশখালীর কুতুবজোমে নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ীতে একটি ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কাজ চলছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, কুতুবজোমের টার্মিনাল থেকে ২০২৮ সালে এবং মাতারবাড়ীর টার্মিনাল থেকে ডিসেম্বর ২০৩০ নাগাদ গ্যাস সরবরাহের আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে এনে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্যাস প্রাপ্তি সাপেক্ষে অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইপিজেড ও বিসিকের মতো পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকারের নতুন পরিকল্পনা

আপডেট সময় : ১১:০১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাময়িক সংকটকালীন সময়ে শিল্পখাত যাতে গ্যাস সংকটে না পড়ে, সেজন্য সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খনন, ২ডি ও ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনা এবং সমুদ্রাঞ্চলের ২৬টি ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি স্থলভাগে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ Onshore Model PSC 2026 প্রণয়নের কার্যক্রম চলছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গড়ে দৈনিক ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব।

ভবিষ্যৎ গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মহেশখালীর কুতুবজোমে নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ীতে একটি ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কাজ চলছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, কুতুবজোমের টার্মিনাল থেকে ২০২৮ সালে এবং মাতারবাড়ীর টার্মিনাল থেকে ডিসেম্বর ২০৩০ নাগাদ গ্যাস সরবরাহের আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে এনে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্যাস প্রাপ্তি সাপেক্ষে অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইপিজেড ও বিসিকের মতো পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।