ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করা সম্ভব নয়: তেহরান
- আপডেট সময় : ১০:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 5
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা ও দেশটির বিজ্ঞানীদের হত্যার মাধ্যমে পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে তেহরান। ইরান বলেছে, তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা কোনো ভবন বা যন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর ভিত্তি জ্ঞান, দৃঢ়তা ও দক্ষ মানবসম্পদ।
মঙ্গলবার ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদল এক বিবৃতিতে এ কথা জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনে দেশটির শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু ক্ষেত্রে পারমাণবিক প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তবে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা একটি গর্বিত জাতির জ্ঞান, দৃঢ়তা ও মানবসম্পদের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘স্থাপনায় হামলা হতে পারে এবং বিজ্ঞানীদের হত্যা করা হতে পারে। কিন্তু বিজ্ঞান যখন মানুষের মধ্যে শিকড় গেড়ে বসে, তখন তা টিকে থাকে, বিকশিত হয় এবং এক প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে। ইরানের বাস্তবতা এটাই এবং কোনো শক্তি তা পরিবর্তন করতে পারবে না।’
ইরানি প্রতিনিধিদল জানায়, পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ইরানের অর্জন দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, সঞ্চিত জ্ঞান, বিশেষায়িত মানবসম্পদ এবং নিজস্ব যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো উন্নয়নের ফল। এর মাধ্যমে দেশটি এমন একটি পরিণত ও টেকসই বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা গড়ে তুলেছে, যা দেশের উল্লেখযোগ্য অংশের প্রয়োজন মেটাতে পারে।
বিবৃতিতে ইরানে পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের বিভিন্ন দিকও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কৃষি, পরিবেশ সুরক্ষা, ফসলের উন্নয়ন, পোকামাকড় ও রোগ নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য সংরক্ষণ এবং পানি ও সার ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি।
এ ছাড়া তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ উৎপাদন ও ব্যবহার, বিকিরণ প্রয়োগ ও জীবাণুমুক্তকরণ এবং চিকিৎসা ও শিল্পে বিকিরণভিত্তিক প্রযুক্তিতেও ইরানের সক্ষমতার কথা জানানো হয়। এসব কার্যক্রমে বিকিরণ সুরক্ষা, পর্যবেক্ষণ, পরিমাপ ও শনাক্তকরণসংক্রান্ত সক্ষমতাও রয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
























গ্যাসের চাহিদা পূরণে ১৮ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার