ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদ সদস্যের বক্তব্যের অধিকার রক্ষা জরুরি: শফিকুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 8

জাতীয় সংসদে প্রত্যেক সংসদ সদস্যের বক্তব্য শোনার দায়িত্ব এবং কথা বলার অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্যের সময় ব্যাপক হট্টগোলের পর দাঁড়িয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কোনো সংসদ সদস্য বক্তব্য দেওয়ার জন্য দাঁড়ালে তাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্যের কোনো অংশ অসংসদীয় হলে স্পিকারের পক্ষ থেকে রুলিং দেওয়া যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীও প্রয়োজনে বক্তব্যের জবাব দিতে পারেন। কিন্তু হট্টগোল করে কোনো সদস্যের বক্তব্য পুরোপুরি ঢেকে দেওয়া বা থামিয়ে দেওয়া সংসদীয় রীতির পরিপন্থি।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্য কী বলেছেন, তা হট্টগোলের কারণে শোনা যায়নি। ফলে তার বক্তব্য রাখার অধিকার যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কি না, সেটিও প্রশ্নের বিষয়।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সংসদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংসদীয় কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কোনো সদস্যের বক্তব্য শোনা না গেলে তা সংসদের কার্যবিবরণীতে কীভাবে রেকর্ড হবে, সেটিও স্পষ্ট করা দরকার।

এ বিষয়ে স্পিকারের কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ ও প্রতিকারের আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদ সদস্যের বক্তব্যের অধিকার রক্ষা জরুরি: শফিকুর রহমান

আপডেট সময় : ১১:০৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদে প্রত্যেক সংসদ সদস্যের বক্তব্য শোনার দায়িত্ব এবং কথা বলার অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্যের সময় ব্যাপক হট্টগোলের পর দাঁড়িয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কোনো সংসদ সদস্য বক্তব্য দেওয়ার জন্য দাঁড়ালে তাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্যের কোনো অংশ অসংসদীয় হলে স্পিকারের পক্ষ থেকে রুলিং দেওয়া যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীও প্রয়োজনে বক্তব্যের জবাব দিতে পারেন। কিন্তু হট্টগোল করে কোনো সদস্যের বক্তব্য পুরোপুরি ঢেকে দেওয়া বা থামিয়ে দেওয়া সংসদীয় রীতির পরিপন্থি।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্য কী বলেছেন, তা হট্টগোলের কারণে শোনা যায়নি। ফলে তার বক্তব্য রাখার অধিকার যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কি না, সেটিও প্রশ্নের বিষয়।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সংসদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংসদীয় কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কোনো সদস্যের বক্তব্য শোনা না গেলে তা সংসদের কার্যবিবরণীতে কীভাবে রেকর্ড হবে, সেটিও স্পষ্ট করা দরকার।

এ বিষয়ে স্পিকারের কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ ও প্রতিকারের আহ্বান জানান তিনি।