ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউরোপের দ্বিমুখী নীতির কঠোর সমালোচনা ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 7

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ড ও অপরাধের’ বিষয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর নীরবতা ও অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী টম দে ব্রুইনের সঙ্গে বৈঠকে ইউরোপের দেশগুলোর ‘দ্বিমুখী নীতি’ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, একই সময়ে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ বন্ধসহ কয়েকটি শর্ত জানানোর কথাও জানিয়েছে তেহরান। আরাগচির টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে তিনি বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ড ও অপরাধের’ বিষয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর নীরবতা ও প্রশ্রয়ের সমালোচনা করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, আরাগচি বলেন, ‘একদিকে ইউরোপীয় দেশগুলো আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতি নিজেদের প্রতিশ্রুতির কথা বলছে, অন্যদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রকাশ্য সামরিক আগ্রাসনের বিষয়ে উদাসীন থাকছে বা এমনকি তা সমর্থন করছে।’

বৈঠকে টম দে ব্রুইন সংকট নিরসনে কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং ইরান ও ইউরোপের মধ্যকার যোগাযোগ নিয়ে নেদারল্যান্ডসের অবস্থানও তুলে ধরেন তিনি।

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, নিউইয়র্কে কাতারের এক মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে তেহরান। আলোচনায় যুদ্ধের সব ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ড’ বন্ধের মতো কয়েকটি শর্ত জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, বাঘাই বলেন, ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে নৌ অবরোধ ও অর্থনৈতিক যুদ্ধ বন্ধ এবং ইরানের সম্পদ ছেড়ে দেয়ার বিষয়ও রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউরোপের দ্বিমুখী নীতির কঠোর সমালোচনা ইরানের

আপডেট সময় : ০২:১০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ড ও অপরাধের’ বিষয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর নীরবতা ও অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী টম দে ব্রুইনের সঙ্গে বৈঠকে ইউরোপের দেশগুলোর ‘দ্বিমুখী নীতি’ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, একই সময়ে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ বন্ধসহ কয়েকটি শর্ত জানানোর কথাও জানিয়েছে তেহরান। আরাগচির টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে তিনি বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ড ও অপরাধের’ বিষয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর নীরবতা ও প্রশ্রয়ের সমালোচনা করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, আরাগচি বলেন, ‘একদিকে ইউরোপীয় দেশগুলো আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতি নিজেদের প্রতিশ্রুতির কথা বলছে, অন্যদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রকাশ্য সামরিক আগ্রাসনের বিষয়ে উদাসীন থাকছে বা এমনকি তা সমর্থন করছে।’

বৈঠকে টম দে ব্রুইন সংকট নিরসনে কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং ইরান ও ইউরোপের মধ্যকার যোগাযোগ নিয়ে নেদারল্যান্ডসের অবস্থানও তুলে ধরেন তিনি।

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, নিউইয়র্কে কাতারের এক মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে তেহরান। আলোচনায় যুদ্ধের সব ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ড’ বন্ধের মতো কয়েকটি শর্ত জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, বাঘাই বলেন, ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে নৌ অবরোধ ও অর্থনৈতিক যুদ্ধ বন্ধ এবং ইরানের সম্পদ ছেড়ে দেয়ার বিষয়ও রয়েছে।