ঢাকা ১১:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চোখে জল, মুখে বাবার নাম— আবেগপ্লুত মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0

বিশ্ব চেনার আগেই যে মানুষটা লিওনেল মেসিকে বিশ্বাস করেছিলেন তিনি হোর্হে মেসি, লিওনেল মেসির বাবা। যিনি নিজের সমস্ত অস্তিত্ব বিসর্জন দিয়ে ছেলের স্বপ্নকে ডানা মেলার সাহস জুগিয়েছিলেন। রোজারিও থেকে ১২ বছর বয়সী মেসিকে নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন স্পেনে। তাঁর সুবাদেই বিশ্ব উপহার পেল এক কিংবদন্তি।

আজ মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে মেসির বিদায়ী ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন না প্রিয় মানুষ। স্ত্রী-বাচ্চা আর মায়ের পাশে ছিলেন না হোর্হে। ২০০৬ বিশ্বকাপের পর এই মানুষটা অন্যলোকে পাড়ি জমান। আজ ম্যাচ শেষে প্রিয় বাবাকেই স্মরণ করলেন লিও।

ম্যাচ শেষে মাইক হাতে নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন মেসি। তিনি বলেন, ‘আজকের এই রাতে সবার আগে মনে পড়ছে আমার বাবাকে। দীর্ঘ ২০ বছরেরও (২১) বেশি সময় ধরে এই শার্টটির প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য ছিল এক বিরাট গর্বের বিষয়। আমরা কখনও লড়াই থামাইনি, নিজেদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দেওয়া বন্ধ করিনি। আর্জেন্টিনার হয়ে খেলাটাই সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতি।

এরপর মেসি আরও যোগ করেন, ‘আমরা আবারও বিশ্বকাপ জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম। আমরা বিশ্বকাপে নিজেদের সবকিছু ঢেলে দিয়েছিলাম। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচটি আমাদের জন্য অনেক বড় ছিল। আমরা আমাদের সমস্ত শক্তি দিয়ে লড়াই করেছি, সারাজীবন লড়াই করেছি। কোনো সন্দেহ রাখবেন না যে, এই জার্সির জন্য আমরা সর্বদা আমাদের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি।’

এসময় সতীর্থদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মেসি,‘আমি আমার সকল সতীর্থকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তোমরা আমার সব স্বপ্ন সত্যি করেছ—বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা। আমি সব সময় বীর যোদ্ধাদের দিয়ে পরিবেষ্টিত ছিলাম। আমি এই পরিবেশটাকে খুব মিস করব। আমি আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি যেখানেই গিয়েছি, স্টেডিয়াম সব সময় কানায় কানায় পূর্ণ ছিল। মনে হতো আমরা যেখানেই খেলছি, সেটাই যেন আমাদের নিজেদের ঘর।’

নিউজটি শেয়ার করুন

চোখে জল, মুখে বাবার নাম— আবেগপ্লুত মেসি

আপডেট সময় : ১০:৫৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্ব চেনার আগেই যে মানুষটা লিওনেল মেসিকে বিশ্বাস করেছিলেন তিনি হোর্হে মেসি, লিওনেল মেসির বাবা। যিনি নিজের সমস্ত অস্তিত্ব বিসর্জন দিয়ে ছেলের স্বপ্নকে ডানা মেলার সাহস জুগিয়েছিলেন। রোজারিও থেকে ১২ বছর বয়সী মেসিকে নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন স্পেনে। তাঁর সুবাদেই বিশ্ব উপহার পেল এক কিংবদন্তি।

আজ মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে মেসির বিদায়ী ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন না প্রিয় মানুষ। স্ত্রী-বাচ্চা আর মায়ের পাশে ছিলেন না হোর্হে। ২০০৬ বিশ্বকাপের পর এই মানুষটা অন্যলোকে পাড়ি জমান। আজ ম্যাচ শেষে প্রিয় বাবাকেই স্মরণ করলেন লিও।

ম্যাচ শেষে মাইক হাতে নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন মেসি। তিনি বলেন, ‘আজকের এই রাতে সবার আগে মনে পড়ছে আমার বাবাকে। দীর্ঘ ২০ বছরেরও (২১) বেশি সময় ধরে এই শার্টটির প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য ছিল এক বিরাট গর্বের বিষয়। আমরা কখনও লড়াই থামাইনি, নিজেদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দেওয়া বন্ধ করিনি। আর্জেন্টিনার হয়ে খেলাটাই সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতি।

এরপর মেসি আরও যোগ করেন, ‘আমরা আবারও বিশ্বকাপ জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম। আমরা বিশ্বকাপে নিজেদের সবকিছু ঢেলে দিয়েছিলাম। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচটি আমাদের জন্য অনেক বড় ছিল। আমরা আমাদের সমস্ত শক্তি দিয়ে লড়াই করেছি, সারাজীবন লড়াই করেছি। কোনো সন্দেহ রাখবেন না যে, এই জার্সির জন্য আমরা সর্বদা আমাদের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি।’

এসময় সতীর্থদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মেসি,‘আমি আমার সকল সতীর্থকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তোমরা আমার সব স্বপ্ন সত্যি করেছ—বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা। আমি সব সময় বীর যোদ্ধাদের দিয়ে পরিবেষ্টিত ছিলাম। আমি এই পরিবেশটাকে খুব মিস করব। আমি আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি যেখানেই গিয়েছি, স্টেডিয়াম সব সময় কানায় কানায় পূর্ণ ছিল। মনে হতো আমরা যেখানেই খেলছি, সেটাই যেন আমাদের নিজেদের ঘর।’