ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ সেনা হত্যার দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪২:০৪ অপরাহ্ন, রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • / 4

ইরানের সঙ্গে ১৫ দিনের সামরিক সংঘাতে ২০০ জনের বেশি মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত হতাহতের তথ্যকে ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিযোগ করেছে বাহিনীটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি বলেন, ‘অপারেশন ভিক্টরি–২’ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি পেন্টাগনের প্রকাশিত তথ্যের তুলনায় অনেক বেশি। তিনি দাবি করেন, সংঘাতে ২০০ জনেরও বেশি মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন এবং আহতের সংখ্যা আরো অনেক বেশি।

মোহেবির অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র প্রকৃত হতাহতের তথ্য গোপন করছে। তিনি বলেন, যেসব মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, সেখানে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে প্রবেশের অনুমতি দিলে প্রকৃত পরিস্থিতি সামনে আসবে।

আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, ‘অপারেশন ভিক্টরি–২’-এর অংশ হিসেবে আটটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে একটি ঘাঁটির অন্তত ২০টি স্থাপনা ও বিমান হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের দাবি, এসব হামলায় ১১টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার, ১৭টি গোয়েন্দা ও অপারেশনাল ড্রোন, একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান, একটি পি-৮ সামুদ্রিক টহল বিমান, একটি সি-১৭ পরিবহন বিমান এবং আটটি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ধ্বংস হয়েছে।

অন্যদিকে, পেন্টাগনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতে প্রথমে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। পরে আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৪ জন বলে উল্লেখ করা হয় এবং তাদের কয়েকজনের নাম ও পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়।

তবে আইআরজিসির সর্বশেষ দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এছাড়া বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের দাবি করা হতাহতের সংখ্যা বা সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংসের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ সেনা হত্যার দাবি ইরানের

আপডেট সময় : ০৩:৪২:০৪ অপরাহ্ন, রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬

ইরানের সঙ্গে ১৫ দিনের সামরিক সংঘাতে ২০০ জনের বেশি মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত হতাহতের তথ্যকে ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিযোগ করেছে বাহিনীটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি বলেন, ‘অপারেশন ভিক্টরি–২’ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি পেন্টাগনের প্রকাশিত তথ্যের তুলনায় অনেক বেশি। তিনি দাবি করেন, সংঘাতে ২০০ জনেরও বেশি মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন এবং আহতের সংখ্যা আরো অনেক বেশি।

মোহেবির অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র প্রকৃত হতাহতের তথ্য গোপন করছে। তিনি বলেন, যেসব মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, সেখানে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে প্রবেশের অনুমতি দিলে প্রকৃত পরিস্থিতি সামনে আসবে।

আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, ‘অপারেশন ভিক্টরি–২’-এর অংশ হিসেবে আটটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে একটি ঘাঁটির অন্তত ২০টি স্থাপনা ও বিমান হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের দাবি, এসব হামলায় ১১টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার, ১৭টি গোয়েন্দা ও অপারেশনাল ড্রোন, একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান, একটি পি-৮ সামুদ্রিক টহল বিমান, একটি সি-১৭ পরিবহন বিমান এবং আটটি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ধ্বংস হয়েছে।

অন্যদিকে, পেন্টাগনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতে প্রথমে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। পরে আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৪ জন বলে উল্লেখ করা হয় এবং তাদের কয়েকজনের নাম ও পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়।

তবে আইআরজিসির সর্বশেষ দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এছাড়া বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের দাবি করা হতাহতের সংখ্যা বা সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংসের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।