ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালে আবারও ভূমিকম্প

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৪২:৪২ পূর্বাহ্ন, রোববার, ৫ নভেম্বর ২০২৩
  • / 253

ফের নেপালে আঘাত হেনেছে ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৬। আজ রোববার ভোরে এ ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর আগে শনিবার নেপালে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৫৭ জনের মৃত্যু হয়।

নেপালের ন্যাশনাল সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, কাঠমান্ডু থেকে ১৬৯ কিলোমিটার দূরে ছিল ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল।

এদিকে শনিবার বিকেলেও নেপালে ৩ দশমিক ৩ মাত্রার পরবর্তী কম্পন বা আফটার শক আঘাত হানে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভৌগলিক অবস্থানের কারণেই নেপাল ভূমিকম্পের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। নেপালের অবস্থান দুটি বৃহদাকার টেকটোনিক প্লেটের সীমানায়। প্লেট দুটির নাম ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান এবং এশিয়ান প্লেট। এ দুটি প্লেটের সংঘর্ষের ফলেই সৃষ্টি হয়েছে হিমালয় পর্বতমালা।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নেপাল যে দুটি প্লেটের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, সে দুটি প্লেট প্রতি বছর ৫ সেন্টিমিটার হারে একে অপরের দিকে ধাক্কা দিচ্ছে। এটি খুব বড় ধরনের ধাক্কা না হলেও ধীরে ধীরে শক্তি জমা হয় এবং এক সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ তৈরি করে। তখন তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেপালে আবারও ভূমিকম্প

আপডেট সময় : ০৬:৪২:৪২ পূর্বাহ্ন, রোববার, ৫ নভেম্বর ২০২৩

ফের নেপালে আঘাত হেনেছে ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৬। আজ রোববার ভোরে এ ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর আগে শনিবার নেপালে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৫৭ জনের মৃত্যু হয়।

নেপালের ন্যাশনাল সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, কাঠমান্ডু থেকে ১৬৯ কিলোমিটার দূরে ছিল ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল।

এদিকে শনিবার বিকেলেও নেপালে ৩ দশমিক ৩ মাত্রার পরবর্তী কম্পন বা আফটার শক আঘাত হানে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভৌগলিক অবস্থানের কারণেই নেপাল ভূমিকম্পের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। নেপালের অবস্থান দুটি বৃহদাকার টেকটোনিক প্লেটের সীমানায়। প্লেট দুটির নাম ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান এবং এশিয়ান প্লেট। এ দুটি প্লেটের সংঘর্ষের ফলেই সৃষ্টি হয়েছে হিমালয় পর্বতমালা।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নেপাল যে দুটি প্লেটের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, সে দুটি প্লেট প্রতি বছর ৫ সেন্টিমিটার হারে একে অপরের দিকে ধাক্কা দিচ্ছে। এটি খুব বড় ধরনের ধাক্কা না হলেও ধীরে ধীরে শক্তি জমা হয় এবং এক সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ তৈরি করে। তখন তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়।