ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৩ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে চান ফিলিং স্টেশনের মালিকরা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • / 68

রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধ এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও বাস্তবতার নিরিখে সামঞ্জস্যপূর্ণ তেল সরবরাহ নিশ্চিত করাসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর মগবাজারে সংগঠনের প্রধান কর্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল।

অ্যাসোসিয়েশনের অন্য দাবি হচ্ছে— বর্তমান পরিস্থিতিতে বাস্তবতার আলোকে ক্রেতা সাধারণকে সচেতন ও ধৈর্য ধারণ করতে হবে; পেট্রোল পাম্পে ট্যাঙ্ক শূন্য অবস্থায় তেল নিতে ক্রেতাদের হুমড়ি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে; পেট্রোল পাম্পে তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারণ করতে হবে; উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সব পেট্রোল পাম্পে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে; ডিপো থেকে ট্যাঙ্কলরির চেম্বারের ধারণ ক্ষমতা (যেমন ৪,৫০০ লিটার) অনুযায়ী তেল সরবরাহ করতে হবে। আর তা নাহলে পরিবহণ খরচ বৃদ্ধি পাবে এবং সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা, অযথা পেট্রোল পাম্প আক্রমণ, পেট্রোলপাম্প মালিকদের উপর একতরফা দোষ চাপানো যাবে না। সেক্ষেত্রে সরকারের ট্যাগ অফিসার নিয়োগকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

‘অনলাইন-অফলাইন সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর চিন্তা করা হচ্ছে সরকার’

সংগঠনটি জানায়, ডিপো থেকে চাহিদামত জ্বালানি পাচ্ছে না ফিলিং স্টেশনগুলো। এমন অবস্থায় রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধ রাখতে চাই আমরা।

সভায় পাম্প মালিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা। অনেক ক্ষেত্রে ট্যাংকার পুরোপুরি ভর্তি না করে আংশিক লোড নিয়ে পাঠানো হলে পরিবহন খরচ বেড়ে যায় এবং এতে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এ কারণে তারা চেম্বার পূর্ণ করে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন, যাতে পরিবহন ব্যয় কমানো যায় এবং সরবরাহ আরও কার্যকর হয়। এ সময় একই জেলার একাধিক পাম্পে একসঙ্গে সরবরাহের ক্ষেত্রেও সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।

একই সঙ্গে পাম্প মালিকরা অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে অননুমোদিতভাবে তেল বিক্রি বা মজুত করার ঘটনা ঘটতে পারে, তবে সেটি পুরো খাতের প্রতিনিধিত্ব করে না। তাদের দাবি, যদি কোনো পাম্প তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখে, সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হওয়া উচিত এবং এর জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। তারা বলেন, এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পাম্পের ডিলারশিপ বাতিলের জন্য সরকারকে সহযোগিতা করা হবে এবং সংগঠনের পক্ষ থেকেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

১৩ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে চান ফিলিং স্টেশনের মালিকরা

আপডেট সময় : ০২:১০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধ এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও বাস্তবতার নিরিখে সামঞ্জস্যপূর্ণ তেল সরবরাহ নিশ্চিত করাসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর মগবাজারে সংগঠনের প্রধান কর্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল।

অ্যাসোসিয়েশনের অন্য দাবি হচ্ছে— বর্তমান পরিস্থিতিতে বাস্তবতার আলোকে ক্রেতা সাধারণকে সচেতন ও ধৈর্য ধারণ করতে হবে; পেট্রোল পাম্পে ট্যাঙ্ক শূন্য অবস্থায় তেল নিতে ক্রেতাদের হুমড়ি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে; পেট্রোল পাম্পে তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারণ করতে হবে; উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সব পেট্রোল পাম্পে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে; ডিপো থেকে ট্যাঙ্কলরির চেম্বারের ধারণ ক্ষমতা (যেমন ৪,৫০০ লিটার) অনুযায়ী তেল সরবরাহ করতে হবে। আর তা নাহলে পরিবহণ খরচ বৃদ্ধি পাবে এবং সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা, অযথা পেট্রোল পাম্প আক্রমণ, পেট্রোলপাম্প মালিকদের উপর একতরফা দোষ চাপানো যাবে না। সেক্ষেত্রে সরকারের ট্যাগ অফিসার নিয়োগকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

‘অনলাইন-অফলাইন সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর চিন্তা করা হচ্ছে সরকার’

সংগঠনটি জানায়, ডিপো থেকে চাহিদামত জ্বালানি পাচ্ছে না ফিলিং স্টেশনগুলো। এমন অবস্থায় রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধ রাখতে চাই আমরা।

সভায় পাম্প মালিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা। অনেক ক্ষেত্রে ট্যাংকার পুরোপুরি ভর্তি না করে আংশিক লোড নিয়ে পাঠানো হলে পরিবহন খরচ বেড়ে যায় এবং এতে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এ কারণে তারা চেম্বার পূর্ণ করে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন, যাতে পরিবহন ব্যয় কমানো যায় এবং সরবরাহ আরও কার্যকর হয়। এ সময় একই জেলার একাধিক পাম্পে একসঙ্গে সরবরাহের ক্ষেত্রেও সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।

একই সঙ্গে পাম্প মালিকরা অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে অননুমোদিতভাবে তেল বিক্রি বা মজুত করার ঘটনা ঘটতে পারে, তবে সেটি পুরো খাতের প্রতিনিধিত্ব করে না। তাদের দাবি, যদি কোনো পাম্প তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখে, সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হওয়া উচিত এবং এর জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। তারা বলেন, এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পাম্পের ডিলারশিপ বাতিলের জন্য সরকারকে সহযোগিতা করা হবে এবং সংগঠনের পক্ষ থেকেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।