ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেইলি রোডসহ সব আবাসিক এলাকায় রেস্টুরেন্ট বন্ধ চেয়ে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, রোববার, ৩ মার্চ ২০২৪
  • / 181

বেইলি রোডসহ সব আবাসিক এলাকায় রেষ্টুরেন্টসহ সকল ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। একইসঙ্গে রিটে বেইলি রোডে অবস্থিত গ্রিন কোজি ভবনে অগ্নিকাণ্ড তদন্ত করে প্রকৃত দায়ীদের গ্রেপ্তার এবং হতাহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আজ রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন। বিচারপতি নাঈমা হায়দারের বেঞ্চে রিটটির শুনানির দিন নির্ধারণ করা হবে।

গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। জীবিত উদ্ধার করা হয় ৭৫ জনকে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, পুরো ভবনে অসংখ্য গ্যাস সিলিন্ডার মজুত ছিল। এমনকি সিঁড়িতেও মজুত ছিল সিলিন্ডার। ফলে ভবনটিতে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে তা দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। ভবনটিতে কাচ্চি ভাই, পিৎজা ইন, স্ট্রিট ওভেন, খানাসসহ বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্ট ছিল। এ ছাড়া ইলিয়েন, ক্লোজেস্ট ক্লাউডসহ বেশকিছু জনপ্রিয় পোশাকের দোকানও রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বেইলি রোডসহ সব আবাসিক এলাকায় রেস্টুরেন্ট বন্ধ চেয়ে রিট

আপডেট সময় : ০২:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, রোববার, ৩ মার্চ ২০২৪

বেইলি রোডসহ সব আবাসিক এলাকায় রেষ্টুরেন্টসহ সকল ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। একইসঙ্গে রিটে বেইলি রোডে অবস্থিত গ্রিন কোজি ভবনে অগ্নিকাণ্ড তদন্ত করে প্রকৃত দায়ীদের গ্রেপ্তার এবং হতাহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আজ রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন। বিচারপতি নাঈমা হায়দারের বেঞ্চে রিটটির শুনানির দিন নির্ধারণ করা হবে।

গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। জীবিত উদ্ধার করা হয় ৭৫ জনকে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, পুরো ভবনে অসংখ্য গ্যাস সিলিন্ডার মজুত ছিল। এমনকি সিঁড়িতেও মজুত ছিল সিলিন্ডার। ফলে ভবনটিতে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে তা দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। ভবনটিতে কাচ্চি ভাই, পিৎজা ইন, স্ট্রিট ওভেন, খানাসসহ বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্ট ছিল। এ ছাড়া ইলিয়েন, ক্লোজেস্ট ক্লাউডসহ বেশকিছু জনপ্রিয় পোশাকের দোকানও রয়েছে।