ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভিলার জয়ের নায়ক ‘অভাগা’ উইঙ্গার

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 70

বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে পেয়েছিলেন তারকা খ্যাতি। অনেকেই তাকে ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ভবিষ্যৎ ধরে নিয়েছিলেন। তবে তারকা তকমার সঙ্গে সুবিচার করতে পারেননি। এক ক্লাব থেকে অন্য ক্লাবে ফেরারি হয়ে ঘুরতে থাকা জেডন সাঞ্চো এখন ধারে খেলছেন অ্যাস্টন ভিলায়। শুরুর একাদশেই নিয়মিত জায়গা না পাওয়া ইংলিশ এই উইঙ্গার অবশেষে দলের জয়ে অবদান রাখলেন। ভাঙলেন দীর্ঘ আট মাস বা ২৩৯ দিনের গোলখরা।

উয়েফা ইউরোপা লিগে গতকাল তুর্কি ক্লাব ফেনেরবাচের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয় পেয়েছে অ্যাস্টন ভিলা। ম্যাচে একমাত্র গোলটি করেন সাঞ্চো। প্রতিপক্ষের মাঠে হেড থেকে গোল করে দলকে তিন পয়েন্ট এনে দেন ইংলিশ উইঙ্গার। এই জয়ে ইউরোপের দ্বিতীয় সারি প্রতিযোগিতায় সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিত হলো উনাই এমেরির দলের।

বিদেশের মাটিতে ওয়াডেতে টানা ১১ ম্যাচ হারল ইংল্যান্ড

অ্যাস্টন ভিলার জার্সিতে প্রথম গোল করলেন সাঞ্চো। গত সেপ্টেম্বরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে ধারে ক্লাবটিতে যোগ দেন ২৫ বছর বয়য়ী উইঙ্গার। ১৯তম ম্যাচে এসে নতুন ঠিকানায় প্রথম জালের দেখা পেলেন। সবশেষ গত বছরের ২ মে’তে গোলের স্বাদ পেয়েছিলেন তিনি। এরপর তো গোল করার অনুভূতি ভুলতেই বসেন সাঞ্চো। কনফারেন্স লিগে চেলসির হয়ে সুইডেনের ক্লাব দেজুরগার্ডের বিপক্ষে গোলের দেখা পেয়েছিলেন।

ফেনেরবাচের মাঠে ম্যাচের ২৫ মিনিটে স্বাগতিকদের থমকে দিয়ে জালে বল পাঠিয়ে গেরো ভাঙেন সাঞ্চো। দীর্ঘ বিরতি দিয়ে প্রথম গোল করা সাঞ্চো দ্বিতীয় গোলও পেয়ে যেতে পারতেন। তবে প্রায় প্রতিপক্ষের একাধিক ডিফেন্ডারদের পরাস্থ করলেও মিলান স্ক্রিনিয়ারে দুর্দান্ত এক ব্লক সাঞ্চোকে জোড়া গোল করা থেকে আটকে দেয়।

ম্যাচের পর টিএনটি স্পোর্টস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের গোল নিয়ে সাঞ্চো বলেন, ‘আমার মনে হয় এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি গোল। যদিও আমি এই টুর্নামেন্টের পূর্বে কিছু গোল করেছিলাম, কিন্তু অ্যাস্টন ভিলার জার্সিতে এটি আমার প্রথম, তাই এটি আরও বিশেষ।’ তবে সবকিছু একপাশে রেখে গোল ফেরাতেই স্বাভাবিকভাবে বেশি খুশি সাঞ্চো।

২০২১ সালে ডর্টমুন্ড ছেড়ে যোগ দেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাবটিতে যোগ দেওয়ার আগে জার্মান ক্লাবটিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আলোচনায় এসেছিলেন। ডর্টমুন্ডের হয়ে ১৩৭ ম্যাচে করেন ৫০ গোল। তারপর ইউনাইটেডে অন্য এক সাঞ্চোকে দেখা যায়। ক্লাবটিতে একেবারেই থিতু হতে না পেরে ধারে ২০২৪ সালে ধারে খেলেন ডর্টমুন্ডে। আবার ফিরে এসে চেলসি যান। চেলসি থেকে এবার ভিলাতে। তবে একের পর এক ঠিকানা বদল করেও ডর্টমুন্ডের সেই ছন্দ আর খুঁজে পাননি সাঞ্চো। চলতি মৌসুমের শেষে তাঁর সঙ্গে ইউনাইটেডের চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ভিলার জয়ের নায়ক ‘অভাগা’ উইঙ্গার

আপডেট সময় : ০১:৪৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে পেয়েছিলেন তারকা খ্যাতি। অনেকেই তাকে ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ভবিষ্যৎ ধরে নিয়েছিলেন। তবে তারকা তকমার সঙ্গে সুবিচার করতে পারেননি। এক ক্লাব থেকে অন্য ক্লাবে ফেরারি হয়ে ঘুরতে থাকা জেডন সাঞ্চো এখন ধারে খেলছেন অ্যাস্টন ভিলায়। শুরুর একাদশেই নিয়মিত জায়গা না পাওয়া ইংলিশ এই উইঙ্গার অবশেষে দলের জয়ে অবদান রাখলেন। ভাঙলেন দীর্ঘ আট মাস বা ২৩৯ দিনের গোলখরা।

উয়েফা ইউরোপা লিগে গতকাল তুর্কি ক্লাব ফেনেরবাচের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয় পেয়েছে অ্যাস্টন ভিলা। ম্যাচে একমাত্র গোলটি করেন সাঞ্চো। প্রতিপক্ষের মাঠে হেড থেকে গোল করে দলকে তিন পয়েন্ট এনে দেন ইংলিশ উইঙ্গার। এই জয়ে ইউরোপের দ্বিতীয় সারি প্রতিযোগিতায় সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিত হলো উনাই এমেরির দলের।

বিদেশের মাটিতে ওয়াডেতে টানা ১১ ম্যাচ হারল ইংল্যান্ড

অ্যাস্টন ভিলার জার্সিতে প্রথম গোল করলেন সাঞ্চো। গত সেপ্টেম্বরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে ধারে ক্লাবটিতে যোগ দেন ২৫ বছর বয়য়ী উইঙ্গার। ১৯তম ম্যাচে এসে নতুন ঠিকানায় প্রথম জালের দেখা পেলেন। সবশেষ গত বছরের ২ মে’তে গোলের স্বাদ পেয়েছিলেন তিনি। এরপর তো গোল করার অনুভূতি ভুলতেই বসেন সাঞ্চো। কনফারেন্স লিগে চেলসির হয়ে সুইডেনের ক্লাব দেজুরগার্ডের বিপক্ষে গোলের দেখা পেয়েছিলেন।

ফেনেরবাচের মাঠে ম্যাচের ২৫ মিনিটে স্বাগতিকদের থমকে দিয়ে জালে বল পাঠিয়ে গেরো ভাঙেন সাঞ্চো। দীর্ঘ বিরতি দিয়ে প্রথম গোল করা সাঞ্চো দ্বিতীয় গোলও পেয়ে যেতে পারতেন। তবে প্রায় প্রতিপক্ষের একাধিক ডিফেন্ডারদের পরাস্থ করলেও মিলান স্ক্রিনিয়ারে দুর্দান্ত এক ব্লক সাঞ্চোকে জোড়া গোল করা থেকে আটকে দেয়।

ম্যাচের পর টিএনটি স্পোর্টস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের গোল নিয়ে সাঞ্চো বলেন, ‘আমার মনে হয় এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি গোল। যদিও আমি এই টুর্নামেন্টের পূর্বে কিছু গোল করেছিলাম, কিন্তু অ্যাস্টন ভিলার জার্সিতে এটি আমার প্রথম, তাই এটি আরও বিশেষ।’ তবে সবকিছু একপাশে রেখে গোল ফেরাতেই স্বাভাবিকভাবে বেশি খুশি সাঞ্চো।

২০২১ সালে ডর্টমুন্ড ছেড়ে যোগ দেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাবটিতে যোগ দেওয়ার আগে জার্মান ক্লাবটিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আলোচনায় এসেছিলেন। ডর্টমুন্ডের হয়ে ১৩৭ ম্যাচে করেন ৫০ গোল। তারপর ইউনাইটেডে অন্য এক সাঞ্চোকে দেখা যায়। ক্লাবটিতে একেবারেই থিতু হতে না পেরে ধারে ২০২৪ সালে ধারে খেলেন ডর্টমুন্ডে। আবার ফিরে এসে চেলসি যান। চেলসি থেকে এবার ভিলাতে। তবে একের পর এক ঠিকানা বদল করেও ডর্টমুন্ডের সেই ছন্দ আর খুঁজে পাননি সাঞ্চো। চলতি মৌসুমের শেষে তাঁর সঙ্গে ইউনাইটেডের চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।