ঢাকা ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ম্যারাডোনাকে ছাড়ালেন ইয়ামাল

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 324
339

১৯৮২ সালে বোকা জুনিয়র্স থেকে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া দিয়েগো ম্যারাডোনা কাতালান ক্লাবে ছিলেন দুই বছর। এসমম মোট ৫৮টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ক্লাবে তাঁর গোল সংখ্যা—৩৮টি।

১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সাল—দু’বছরের অম্ল-মধুর সময় পেরিয়ে ৬.৯ মিলিয়ন পাউন্ডে নাপোলিতে যোগ দেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী কিংবদন্তি। নাপোলিতেই ম্যারাডোনা নিজের কিংবদন্তি অধ্যায় গড়ে তোলেন—৭ বছরের ক্যারিয়ারে ক্লাবকে জেতান ২টি সিরি আ, ১টি উইয়েফা কাপসহ একাধিক শিরোপা। যেখানে তাঁর গোল সংখ্যা—১৫৭।

মূলত স্পেন তরুণ তুর্কী লামিন ইয়ামালানের একটি পরিসংখ্যান টানতেই ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী ম্যারাডোনার ক্যারিয়ারের একাংশ সামনে আনা। গতকাল কোপা দেল রে’তে বার্সাকে লিড এনে দেন ইয়ামাল। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে বার্সেলোনার মূল দলে যোগ স্পেন তরুণ বার্সার জার্সিতে এখন পর্যন্ত ৩৮টি গোল করেছেন। যা ছাড়িয়ে গেছে কিংবদন্তি ম্যারাডোনার বার্সার গোল সংখ্যা।

ছয় বছর পর ফাইনালে আর্সেনাল

২১ বছর বয়সে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া ম্যারাডোনা ৫৮ ম্যাচে করেছিলেন ৩৮ গোল। আর ৩৯ গোল করতে ইয়ামালকে খেলতে হয়েছে ১৩৫ ম্যাচ। সব প্রতিযোগিতায় (ক্লাবের জন্য) — ৯১টি লা লিগা ম্যাচে ২৩ গোল, ৯টি কোপা দেল রে ম্যাচে ৫ গোল, এবং ২৯টি ইউরোপ (চ্যাম্পিয়নস লিগ) ম্যাচে ৮ গোল করেছেন তিনি।

বুধবার কোপা দেল রের কোয়ার্টার ফাইনালে ৩৯তম মিনিটে ‘ডেডলক’ ভাঙেন ইয়ামাল। পরে আরাউহো আরেকটি গোল করলে ২-১ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা। এই জয়ের মধ্য দিয়ে কোপা দেল রের সেমিফাইনালে ওঠা প্রথম দল বার্সা।

ম্যাচ শেষে ইয়ামাল ও আরাউহোকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তা। তিনি বলেন, “ইয়ামাল একজন জাদুকর। তাঁর পা থেকে ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে। তবে আমি বিশেষভাবে রোনাল্ড আরাউহোর জন্য খুশি। সে গোলও করেছে, ম্যাচের শুরু থেকেই খেলেছে। আমাদের অধিনায়কের ফেরা নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। তিনি এমন একটি গোল করেছেন যা আমাদের আরও কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ম্যারাডোনাকে ছাড়ালেন ইয়ামাল

আপডেট সময় : ০১:৩৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
339

১৯৮২ সালে বোকা জুনিয়র্স থেকে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া দিয়েগো ম্যারাডোনা কাতালান ক্লাবে ছিলেন দুই বছর। এসমম মোট ৫৮টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ক্লাবে তাঁর গোল সংখ্যা—৩৮টি।

১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সাল—দু’বছরের অম্ল-মধুর সময় পেরিয়ে ৬.৯ মিলিয়ন পাউন্ডে নাপোলিতে যোগ দেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী কিংবদন্তি। নাপোলিতেই ম্যারাডোনা নিজের কিংবদন্তি অধ্যায় গড়ে তোলেন—৭ বছরের ক্যারিয়ারে ক্লাবকে জেতান ২টি সিরি আ, ১টি উইয়েফা কাপসহ একাধিক শিরোপা। যেখানে তাঁর গোল সংখ্যা—১৫৭।

মূলত স্পেন তরুণ তুর্কী লামিন ইয়ামালানের একটি পরিসংখ্যান টানতেই ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী ম্যারাডোনার ক্যারিয়ারের একাংশ সামনে আনা। গতকাল কোপা দেল রে’তে বার্সাকে লিড এনে দেন ইয়ামাল। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে বার্সেলোনার মূল দলে যোগ স্পেন তরুণ বার্সার জার্সিতে এখন পর্যন্ত ৩৮টি গোল করেছেন। যা ছাড়িয়ে গেছে কিংবদন্তি ম্যারাডোনার বার্সার গোল সংখ্যা।

ছয় বছর পর ফাইনালে আর্সেনাল

২১ বছর বয়সে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া ম্যারাডোনা ৫৮ ম্যাচে করেছিলেন ৩৮ গোল। আর ৩৯ গোল করতে ইয়ামালকে খেলতে হয়েছে ১৩৫ ম্যাচ। সব প্রতিযোগিতায় (ক্লাবের জন্য) — ৯১টি লা লিগা ম্যাচে ২৩ গোল, ৯টি কোপা দেল রে ম্যাচে ৫ গোল, এবং ২৯টি ইউরোপ (চ্যাম্পিয়নস লিগ) ম্যাচে ৮ গোল করেছেন তিনি।

বুধবার কোপা দেল রের কোয়ার্টার ফাইনালে ৩৯তম মিনিটে ‘ডেডলক’ ভাঙেন ইয়ামাল। পরে আরাউহো আরেকটি গোল করলে ২-১ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা। এই জয়ের মধ্য দিয়ে কোপা দেল রের সেমিফাইনালে ওঠা প্রথম দল বার্সা।

ম্যাচ শেষে ইয়ামাল ও আরাউহোকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তা। তিনি বলেন, “ইয়ামাল একজন জাদুকর। তাঁর পা থেকে ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে। তবে আমি বিশেষভাবে রোনাল্ড আরাউহোর জন্য খুশি। সে গোলও করেছে, ম্যাচের শুরু থেকেই খেলেছে। আমাদের অধিনায়কের ফেরা নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। তিনি এমন একটি গোল করেছেন যা আমাদের আরও কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে।”