ভোটকেন্দ্রে ফোন নেয়ার প্রজ্ঞাপন বাতিল না হলে ইসি ঘেরাও: জামায়াত আমির
- আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 63
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নেয়া-সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রজ্ঞাপন বাতিল না হলে আগামীকাল ইসি ঘেরাও করার ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন আবারও ‘জুলাইয়ের মতো অন্ধকার গলিপথে হাঁটছে’।
আজ (সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারণায় দেয়া বক্তব্যে জামায়াত আমির বলেন, ‘সন্ধ্যার মধ্যে ওই প্রজ্ঞাপন বাতিল না হলে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করা হবে।’
সারা দেশে ৭২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ হচ্ছে মোটরসাইকেল চলাচল
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটি পক্ষ পরাজয়ের আশঙ্কায় ভোট ছিনতাইয়ের পাঁয়তারা করছে।’ যারা চোরাই পথে ক্ষমতায় যেতে চায়, তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ যদি কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে, তাহলে সেই পথ বন্ধ করে দেয়া হবে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রশাসনের কিছু ব্যক্তি বিশেষ কিছু মানুষকে বিজয়ী করতে তৎপর। মানুষের রায় ছাড়া যদি কোনো কারচুপির চেষ্টা করা হয়, তাহলে দেশে আবারও ‘জুলাই’ নেমে আসতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
তবে তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার জুলাই চাই না।’
এদিকে সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল না নিয়ে যাওয়ার বিধি পরিবর্তন না করলে নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা-১১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। দুপুরে একই নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্যকালে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের আওতায় নাকি মোবাইল নিয়ে ঢুকা যাবে না। ইসি কোন জায়গা থেকে এই বিধি-বিধান বের করছে আমরা জানি না। কার পরিকল্পনার আদলে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে এটা জনগণের সামনে স্পষ্ট হচ্ছে। আমরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছি আজ সন্ধ্যার মধ্যে এই বিধি-বিধান পরিবর্তন করুন, নাহলে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ঘেরাও হবে।
ঢাকা-১১ আসনের এই প্রার্থী বলেন, আমরা এতদিন কিছু বলিনি। সব সহ্য করে গেছি। নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে এসে এই ধরনের ভোট কারচুপি, মিডিয়াকে ব্ল্যাকআউট করে দেয়া হবে, মানুষের তথ্য অধিকারকে রোধ করে দেয়া হবে এই ধরনের কোনো আইন করা হলে সেই আইন মেনে নেয়া হবে না।
নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, এতদিন যা করেছেন করেছেন, কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারি যদি কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করার পরিকল্পনা থাকে, ফ্যাস্টিস্ট আমলের নির্বাচন কমিশনের যে পরিণতি হয়েছিল তার চেয়েও এই নির্বাচন কমিশনের ভয়াবহ পরিণতি হবে।






















প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ