ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান যুদ্ধের জন্য ২০০ বিলিয়ন ডলার চাইল পেন্টাগন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • / 40

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ চালিয়ে যেতে কংগ্রেসের কাছে ২০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অতিরিক্ত অর্থ অনুমোদনের জন্য হোয়াইট হাউসের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া অপারেশন এপিক ফিউরি’র প্রথম সপ্তাহেই ব্যয় ১১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। পেন্টাগনের এই ২০০ বিলিয়ন ডলারের অনুরোধ মূলত খরচ হওয়া গোলাবারুদের মজুত দ্রুত পূরণ করা এবং মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য করা হয়েছে।

কাতার ও সৌদির জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

তবে মার্কিন কংগ্রেস এত বিশাল অঙ্কের অর্থের অনুমোদন দেবে কি না বিষয়টি নিয়ে সংশয়ে আছনে খোদ হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা।

বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক যুদ্ধের ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা, ড্রোন অভিযান ও দূরপাল্লার হামলার কারণে যুদ্ধ ব্যয় দ্রুত বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রকে একাধিক ফ্রন্টে সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে হচ্ছে, যা ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরান যুদ্ধের জন্য ২০০ বিলিয়ন ডলার চাইল পেন্টাগন

আপডেট সময় : ০৬:০৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ চালিয়ে যেতে কংগ্রেসের কাছে ২০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অতিরিক্ত অর্থ অনুমোদনের জন্য হোয়াইট হাউসের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া অপারেশন এপিক ফিউরি’র প্রথম সপ্তাহেই ব্যয় ১১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। পেন্টাগনের এই ২০০ বিলিয়ন ডলারের অনুরোধ মূলত খরচ হওয়া গোলাবারুদের মজুত দ্রুত পূরণ করা এবং মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য করা হয়েছে।

কাতার ও সৌদির জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

তবে মার্কিন কংগ্রেস এত বিশাল অঙ্কের অর্থের অনুমোদন দেবে কি না বিষয়টি নিয়ে সংশয়ে আছনে খোদ হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা।

বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক যুদ্ধের ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা, ড্রোন অভিযান ও দূরপাল্লার হামলার কারণে যুদ্ধ ব্যয় দ্রুত বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রকে একাধিক ফ্রন্টে সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে হচ্ছে, যা ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।