ঢাকা ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফিফা থেকে অবিস্মরণীয় ‘উপহার’ পেল মিশর

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:০৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • / 62

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বড় চমকের অপেক্ষায় ছিল মিশর। ম্যাচের ৬৭তম মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল ফারাওরা। তবে শেষ মুহূর্তের লিওনেল মেসিদের দৃঢ়তায় খেই হারিয়ে ফেলেন মোহাম্মদ সালাহরা। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা হয়নি তাদের।

বিদায় কষ্টের হলেও মিশর এবার বেশ চমক দেখিয়েছে। ২৩তম আসরের নক আউটে তারা প্রথম জয়টি তুলে নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে। এরপর দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে তারা টুর্নামেন্টে নিজেদের যাত্রার ইতি টানে।

দলটি বিশ্বকাপের একটি একক সংস্করণে এবারই প্রথম সর্বোচ্চ ৫টি ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েছে। এছাড়া পুরো টুর্নামেন্টে তারা ৮টি গোল করেছে, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে তাদের এক আসরে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড।

একটি দারুণ রেকর্ড নিয়ে মিশর দল এবার বিশ্বকাপ শেষ করল। টুর্নামেন্টে তাদের জয় দুটি, ড্র দুটি এবং হার মাত্র একটি—যা এসেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। বেলজিয়াম, ইরান ও নিউজিল্যান্ডকে নিয়ে গঠিত গ্রুপে রানার্সআপ হয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছিল তারা।

দারুণ এই ঐতিহাসিক যাত্রা শেষে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা থেকে প্রায় ১৮.৫ মিলিয়ন ডলার (সাড়ে ১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) আয় করেছে মিশর ফুটবল ফেডারেশন। এ নিয়ে যতবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল মিশর, এবার প্রথম এতবড় আর্থিক পুরস্কার অর্জন করলো তারা।

বিশ্বকাপের পরিবর্ধিত সংস্করণের প্রাইজমানি কাঠামো অনুযায়ী, মিশরীয় জাতীয় দলের এই ঐতিহাসিক অংশগ্রহণের সুবাদে ইজিপশিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ) মোট ১৮.৫ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার নিশ্চয়তা পেয়েছে।

টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক খরচ বহনের জন্য প্রতিটি অংশগ্রহণকারী ফেডারেশনকে ২.৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করার জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার এবং শেষ ১৬-তে (রাউন্ড অব সিক্সটিন) ওঠার পুরস্কার হিসেবে আরও ৬ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে মিশরীয় ফেডারেশনের মোট প্রাপ্তি দাঁড়িয়েছে ১৮.৫ মিলিয়ন ডলার।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ফিফা থেকে অবিস্মরণীয় ‘উপহার’ পেল মিশর

আপডেট সময় : ০২:০৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বড় চমকের অপেক্ষায় ছিল মিশর। ম্যাচের ৬৭তম মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল ফারাওরা। তবে শেষ মুহূর্তের লিওনেল মেসিদের দৃঢ়তায় খেই হারিয়ে ফেলেন মোহাম্মদ সালাহরা। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা হয়নি তাদের।

বিদায় কষ্টের হলেও মিশর এবার বেশ চমক দেখিয়েছে। ২৩তম আসরের নক আউটে তারা প্রথম জয়টি তুলে নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে। এরপর দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে তারা টুর্নামেন্টে নিজেদের যাত্রার ইতি টানে।

দলটি বিশ্বকাপের একটি একক সংস্করণে এবারই প্রথম সর্বোচ্চ ৫টি ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েছে। এছাড়া পুরো টুর্নামেন্টে তারা ৮টি গোল করেছে, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে তাদের এক আসরে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড।

একটি দারুণ রেকর্ড নিয়ে মিশর দল এবার বিশ্বকাপ শেষ করল। টুর্নামেন্টে তাদের জয় দুটি, ড্র দুটি এবং হার মাত্র একটি—যা এসেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। বেলজিয়াম, ইরান ও নিউজিল্যান্ডকে নিয়ে গঠিত গ্রুপে রানার্সআপ হয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছিল তারা।

দারুণ এই ঐতিহাসিক যাত্রা শেষে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা থেকে প্রায় ১৮.৫ মিলিয়ন ডলার (সাড়ে ১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) আয় করেছে মিশর ফুটবল ফেডারেশন। এ নিয়ে যতবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল মিশর, এবার প্রথম এতবড় আর্থিক পুরস্কার অর্জন করলো তারা।

বিশ্বকাপের পরিবর্ধিত সংস্করণের প্রাইজমানি কাঠামো অনুযায়ী, মিশরীয় জাতীয় দলের এই ঐতিহাসিক অংশগ্রহণের সুবাদে ইজিপশিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ) মোট ১৮.৫ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার নিশ্চয়তা পেয়েছে।

টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক খরচ বহনের জন্য প্রতিটি অংশগ্রহণকারী ফেডারেশনকে ২.৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করার জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার এবং শেষ ১৬-তে (রাউন্ড অব সিক্সটিন) ওঠার পুরস্কার হিসেবে আরও ৬ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে মিশরীয় ফেডারেশনের মোট প্রাপ্তি দাঁড়িয়েছে ১৮.৫ মিলিয়ন ডলার।