ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ইরান ইস্যুতে উত্তেজনার ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • / 3

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘উত্তেজনা বৃদ্ধির ফাঁদে’ পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক রস হ্যারিসন। তার মতে, ট্রাম্প এমন একটি কৌশলগত অবস্থায় রয়েছেন, যেখানে তিনি ধারাবাহিকভাবে সামরিক হামলা চালিয়ে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারেন, কিন্তু তাতে সংঘাতের মূল রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জিত হবে না।

হ্যারিসন বলেন, ট্রাম্প এমন একটি কৌশলগত ধারণার ভিত্তিতে যুদ্ধে জড়িয়েছেন, যা কার্যকর নয়। গত সাত রাতের মতো তিনি চাইলে আরও হামলা চালিয়ে ইরানকে ক্ষয়ক্ষতির মুখে ফেলতে পারেন এবং প্রতিশোধ নিতে পারেন।

তবে তিনি বলেন, সামরিক শক্তি ব্যবহারের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন। কিন্তু যদি লক্ষ্য হয় ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা বা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তারা যে কৌশলগত অবস্থান গড়ে তুলেছে তা ত্যাগে বাধ্য করা, তাহলে সেই কৌশল সফল হবে না।

হ্যারিসনের মতে, ট্রাম্প এখন দুই ধরনের চাপের মধ্যে রয়েছেন। তিনি যদি যুক্তরাষ্ট্রের জর্ডানে অবস্থানরত সেনাদের নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিশোধ নিতে আরও হামলা বাড়ান, তাহলে ইরানের ক্ষতি হবে ঠিকই, কিন্তু তাতে তেহরানের অবস্থান বদলাবে না। বরং ইরানের প্রতিরোধের মনোভাব আরও শক্ত হতে পারে।

অন্যদিকে, যদি তিনি উত্তেজনা কমানোর পথে হাঁটেন, তাহলে তা দুর্বলতা হিসেবে দেখা হবে এবং মনে করা হবে তিনি ইরানের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছেন।

রস হ্যারিসনের ভাষ্য, এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য যে ধরনের কৌশলগত সক্ষমতা প্রয়োজন, ট্রাম্পের মধ্যে তার স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। সূত্র: আল-জাজিরা

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

‘ইরান ইস্যুতে উত্তেজনার ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প’

আপডেট সময় : ০২:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘উত্তেজনা বৃদ্ধির ফাঁদে’ পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক রস হ্যারিসন। তার মতে, ট্রাম্প এমন একটি কৌশলগত অবস্থায় রয়েছেন, যেখানে তিনি ধারাবাহিকভাবে সামরিক হামলা চালিয়ে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারেন, কিন্তু তাতে সংঘাতের মূল রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জিত হবে না।

হ্যারিসন বলেন, ট্রাম্প এমন একটি কৌশলগত ধারণার ভিত্তিতে যুদ্ধে জড়িয়েছেন, যা কার্যকর নয়। গত সাত রাতের মতো তিনি চাইলে আরও হামলা চালিয়ে ইরানকে ক্ষয়ক্ষতির মুখে ফেলতে পারেন এবং প্রতিশোধ নিতে পারেন।

তবে তিনি বলেন, সামরিক শক্তি ব্যবহারের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন। কিন্তু যদি লক্ষ্য হয় ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা বা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তারা যে কৌশলগত অবস্থান গড়ে তুলেছে তা ত্যাগে বাধ্য করা, তাহলে সেই কৌশল সফল হবে না।

হ্যারিসনের মতে, ট্রাম্প এখন দুই ধরনের চাপের মধ্যে রয়েছেন। তিনি যদি যুক্তরাষ্ট্রের জর্ডানে অবস্থানরত সেনাদের নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিশোধ নিতে আরও হামলা বাড়ান, তাহলে ইরানের ক্ষতি হবে ঠিকই, কিন্তু তাতে তেহরানের অবস্থান বদলাবে না। বরং ইরানের প্রতিরোধের মনোভাব আরও শক্ত হতে পারে।

অন্যদিকে, যদি তিনি উত্তেজনা কমানোর পথে হাঁটেন, তাহলে তা দুর্বলতা হিসেবে দেখা হবে এবং মনে করা হবে তিনি ইরানের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছেন।

রস হ্যারিসনের ভাষ্য, এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য যে ধরনের কৌশলগত সক্ষমতা প্রয়োজন, ট্রাম্পের মধ্যে তার স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। সূত্র: আল-জাজিরা