যেভাবে টিকে আছে ভারতের ছাত্র আন্দোলন
- আপডেট সময় : ১১:১৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
- / 8
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে চলমান ছাত্র আন্দোলন দেশ-বিদেশের সমর্থকদের সহায়তায় আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ এবং স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই আন্দোলন এখন বড় জনসমর্থন পাচ্ছে।
নয়াদিল্লির যন্তর-মন্তরে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনকারীদের কাছে প্রতিদিনই খাবার, নাস্তা ও পানীয় পৌঁছে দিচ্ছেন বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ডেলিভারি কর্মীরা। আন্দোলনকারীদের দাবি, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের পাশাপাশি বিদেশে থাকা সমর্থকেরাও অনলাইনে খাবার পাঠিয়ে সংহতি জানাচ্ছেন।
মে মাসে অনলাইন ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগ হিসেবে শুরু হওয়া ‘ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)’ শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। সম্প্রতি এক বিশিষ্ট সমাজকর্মীর অনশন শুরুর পর আন্দোলনে নতুন গতি এসেছে।
সোমবার সংসদ অভিমুখে মিছিলের সময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপের ঘটনার পর আন্দোলনকারীদের ক্ষোভ আরও বেড়েছে। স্বেচ্ছাসেবী রাজ রাঠোর বলেন, অনেকেই বিক্ষোভস্থলে আসতে না পারলেও খাবার পাঠিয়ে আন্দোলনের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিনা রাওয়াত জানান, পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হলেও পরদিন আবার আন্দোলনে ফিরেছেন তিনি। তার ভাষায়, মানুষের সহমর্মিতা ও আন্দোলনকারীদের ঐক্যই এই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শক্তি।
বিক্ষোভস্থলে স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা একটি অস্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র পরিচালনা করছেন। সেখানে আহত ও অসুস্থ আন্দোলনকারীদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার বিকেল নাগাদ থেমে থেমে বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিক্ষোভস্থলে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের সমাগম হয়। অধিকাংশই ছিলেন তরুণ শিক্ষার্থী। তারা প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দেন এবং দেশাত্মবোধক গান গেয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আন্দোলন নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও সরকার শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও জবাবদিহি ও সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন। সূত্র: রয়টার্স

























কাহারোলে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে অ্যাডভোকেসি প্লাটফর্ম সভা অনুষ্ঠিত