গ্রিসকে চেপে ধরেও জয় পেল না জার্মানি

- আপডেট সময় : ১২:০২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
- / 2
জয়ের ধারায় ফেরার পরই আবারও হোঁচট। বল দখল থেকে আক্রমণ, সব দিকেই এগিয়ে ছিল জার্মানি, কিন্তু গ্রিসের জমাট রক্ষণ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত জাল খুঁজে পেল না চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। রোববার রাতে গ্রিসের মাঠে উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করেছে জার্মানি। ফলে নতুন কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের অধীনে চার ম্যাচের তিনটিতেই জয়বঞ্চিত রইল দলটি।
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র দিয়ে নেশন্স লিগ শুরু করেছিল জার্মানি। পরের ম্যাচে নিজেদের মাঠে গ্রিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে যায় তারা। এরপর সার্বিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে জয়ে ফিরলেও পরের ম্যাচেই আবার পয়েন্ট হারাতে হলো জার্মানদের।
চার ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ লিগের দুই নম্বর গ্রুপে তৃতীয় স্থানে রয়েছে জার্মানি। অন্যদিকে, এবারের আসরে এখনো হারেনি গ্রিস। দুটি জয় ও দুটি ড্রয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে দ্বিতীয় স্থানে। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে শীর্ষে নেদারল্যান্ডস। একই রাতে সার্বিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ডাচরা। চার ম্যাচেই হেরেছে সার্বিয়া।
গ্রিসের বিপক্ষে পুরো ম্যাচেই জার্মানির আক্রমণ ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রায় ৭০ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে মোট ২১টি শট নেয় তারা, যার চারটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে গ্রিসের পাঁচ শটের দুটি লক্ষ্যে ছিল।
প্রথমার্ধে তো আরও বেশি একচেটিয়া ছিল জার্মানির আধিপত্য। প্রতিপক্ষের অর্ধেই বেশিরভাগ সময় খেলা ধরে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালায় তারা। প্রথম ৪৫ মিনিটে ১৩টি শট নেয় সফরকারীরা, যার তিনটি লক্ষ্যে ছিল। তবে প্রতিবারই জার্মানদের হতাশ করেন গ্রিসের গোলরক্ষক।
এর মধ্যে একবার জালও কাঁপিয়েছিল জার্মানি। কিন্তু ভিএআর পর্যালোচনার পর হ্যান্ডবলের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
প্রথমার্ধে গ্রিসের সবচেয়ে ভালো সুযোগ আসে ম্যাচের একেবারে শুরুতেই। প্রথম মিনিটে মাসোরাসের হেড অবশ্য দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন জার্মান গোলরক্ষক ইয়োনাস উরবিগ।
বিরতির পরও জার্মানির আক্রমণ অব্যাহত ছিল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই লেনার্ট কার্লের শট ঠেকিয়ে দেন গ্রিক গোলরক্ষক। তবে এরপর ধীরে ধীরে জার্মানির আক্রমণের ধার কমতে থাকে। বাকি সময়ে আর কোনো শট লক্ষ্যে রাখতে পারেনি তারা।
উল্টো শেষদিকে কয়েকবার জার্মান রক্ষণে চাপ তৈরি করে স্বাগতিক গ্রিস। তবে তারাও গোল আদায় করে নিতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। ফলে ক্লপের অধীনে প্রত্যাশিত ছন্দে ফিরতে আরও অপেক্ষা করতে হচ্ছে জার্মানিকে।


























