জুলাই আন্দোলন দমাতে ছোঁড়া হয় ৩ লাখ ৫ হাজার রাউন্ড গুলি
- আপডেট সময় : ০৮:২১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 53
জুলাই আন্দোলনের সময় পুলিশের ছোঁড়া গুলির পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ৫ হাজার ৩১১ রাউন্ড। এর মধ্যে শুধু ঢাকা মহানগরেই ছোড়া হয় ৯৫ হাজার ৩১৩ রাউন্ড গুলি।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই তথ্য উপস্থাপন করেন মামলার ৫৪তম সাক্ষী এবং তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর। তিনি পুলিশ সদর দপ্তরের ২১৫ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে এসব তথ্য জানান।
আদালতে এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম, তানভীর হাসান জোহা ও আবদুস সাত্তার পালোয়ান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট আমির হোসেন।
ইনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৪ অক্টোবর
প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম জানান, ‘আন্দোলন দমনে সরকারিভাবে পুরো দেশে যে পরিকল্পিতভাবে দমন অভিযান পরিচালিত হয়েছিল, তার প্রমাণ এই বিপুল পরিমাণ গুলি ব্যবহারের হিসাব থেকেই পাওয়া যায়।’
গত বুধবার মামলার ৫৩তম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা। তিনি জানান, শেখ হাসিনার সংশ্লিষ্টতায় ৬৯টি ফোনালাপের অডিও ক্লিপ এবং ৩টি মোবাইল নম্বরের কল তালিকা (সিডিআর) জব্দ করা হয়েছে।
সে দিন ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার চারটি ফোনালাপ বাজিয়ে শোনানো হয়, যার মধ্যে একটি ছিল তার আত্মীয় ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে, দুটি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সঙ্গে এবং একটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এএসএম মাকসুদ কামালের সঙ্গে।
ওই মামলায় অভিযুক্ত তিনজনের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন তদন্ত সংস্থার উপ-পরিচালক মো. জানে আলম খান। পরবর্তীতে তদন্তভার নেন মো. আলমগীর, যাকে সার্বিক সহায়তা দেন তানভীর হাসান জোহা।
তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয় গত ১২ মে। এরপর ৩১ মে দেওয়া হয় সম্পূরক অভিযোগ এবং ১ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উত্থাপন করা হয়।






















ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানাল কিরগিজস্তান