ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাজিলে কারাবন্দি বলসোনারো অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতালে ভর্তি

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 161
175

অভ্যুত্থানচেষ্টা করার দায়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো’কে ব্রাসিলিয়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার তার চিকিৎসকরা জানান, সেখানে বৃহস্পতিবার বলসোনারো’র পূর্ব নির্ধারিত একটি অস্ত্রোপচার করা হবে। ব্রাসিলিয়া থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে কালো গাড়ি ও মোটরসাইকেলের একটি বহর ডিএফ স্টার হাসপাতালের পার্কিং গ্যারেজে প্রবেশ করে। ওই বহরটি সাবেক প্রেসিডেন্টকে ফেডারেল পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নিয়ে আসে, যেখানে তিনি নভেম্বর থেকে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করা শুরু করেন।

চিকিৎসক ক্লদিও বিরোলিনি জানান, পেটের পেশি ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে অস্ত্রোপচারটি বৃহস্পতিবার গ্রিনিচ মান সময় ১২টা থেকে শুরু হবে এবং তিন থেকে চার ঘণ্টা লাগবে এই অস্ত্রোপচারে।

হাসপাতালের বাইরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিরোলিনি বলেন, এটি জটিল অপারেশন, সহজ কোনো অপারেশনই নেই। তবে, এটি পূর্বনির্ধারিত এবং আমরা আশা করছি— সবকিছু ভালোভাবে সম্পন্ন হবে।

সেনেগালের উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে ১২ জনের মৃত্যু

হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কাইয়াদো বলেন, বলসোনারোকে পাঁচ থেকে সাত দিন হাসপাতালে থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বলসোনারো উদ্বিগ্ন ও কিছুটা বিষণ্ন ছিলেন। প্রায় ৪০ দিন ধরে হেঁচকি ওঠার সমস্যায় ভুগছেন তিনি।

বলসোনারোকে কারাগার থেকে বেরিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আলেক্সান্দ্রে দে মোরায়েস দেন, যিনি তার বিচার তত্ত্বাবধান করেছিলেন।

গত সপ্তাহে চিকিৎসকরা জানান, চিকিৎসাগতভাবে এই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন ছিল। এরপর এই অনুমতি দেওয়া হয়।

৭০ বছর বয়সী বলসোনারো ২০১৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রচারণার সময় পেটে ছুরিকাঘাতের শিকার হওয়ার পর থেকে, নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।

সম্প্রতি তার ত্বকের ক্যানসার ধরা পড়েছে।

গত এপ্রিল মাসে, একই বেসরকারি হাসপাতালে বলসোনারোর ১২ ঘণ্টাব্যাপী একটি জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল।

২০১৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা বলসোনারোকে সুপ্রিম কোর্ট গত সেপ্টেম্বর মাসে কারাদণ্ড দেন।

তাকে প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভাকে ক্ষমতা গ্রহণে বাধা দিতে ও ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য একটি ষড়যন্ত্রের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রাজিলে কারাবন্দি বলসোনারো অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতালে ভর্তি

আপডেট সময় : ০২:১৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
175

অভ্যুত্থানচেষ্টা করার দায়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো’কে ব্রাসিলিয়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার তার চিকিৎসকরা জানান, সেখানে বৃহস্পতিবার বলসোনারো’র পূর্ব নির্ধারিত একটি অস্ত্রোপচার করা হবে। ব্রাসিলিয়া থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে কালো গাড়ি ও মোটরসাইকেলের একটি বহর ডিএফ স্টার হাসপাতালের পার্কিং গ্যারেজে প্রবেশ করে। ওই বহরটি সাবেক প্রেসিডেন্টকে ফেডারেল পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নিয়ে আসে, যেখানে তিনি নভেম্বর থেকে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করা শুরু করেন।

চিকিৎসক ক্লদিও বিরোলিনি জানান, পেটের পেশি ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে অস্ত্রোপচারটি বৃহস্পতিবার গ্রিনিচ মান সময় ১২টা থেকে শুরু হবে এবং তিন থেকে চার ঘণ্টা লাগবে এই অস্ত্রোপচারে।

হাসপাতালের বাইরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিরোলিনি বলেন, এটি জটিল অপারেশন, সহজ কোনো অপারেশনই নেই। তবে, এটি পূর্বনির্ধারিত এবং আমরা আশা করছি— সবকিছু ভালোভাবে সম্পন্ন হবে।

সেনেগালের উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে ১২ জনের মৃত্যু

হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কাইয়াদো বলেন, বলসোনারোকে পাঁচ থেকে সাত দিন হাসপাতালে থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বলসোনারো উদ্বিগ্ন ও কিছুটা বিষণ্ন ছিলেন। প্রায় ৪০ দিন ধরে হেঁচকি ওঠার সমস্যায় ভুগছেন তিনি।

বলসোনারোকে কারাগার থেকে বেরিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আলেক্সান্দ্রে দে মোরায়েস দেন, যিনি তার বিচার তত্ত্বাবধান করেছিলেন।

গত সপ্তাহে চিকিৎসকরা জানান, চিকিৎসাগতভাবে এই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন ছিল। এরপর এই অনুমতি দেওয়া হয়।

৭০ বছর বয়সী বলসোনারো ২০১৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রচারণার সময় পেটে ছুরিকাঘাতের শিকার হওয়ার পর থেকে, নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।

সম্প্রতি তার ত্বকের ক্যানসার ধরা পড়েছে।

গত এপ্রিল মাসে, একই বেসরকারি হাসপাতালে বলসোনারোর ১২ ঘণ্টাব্যাপী একটি জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল।

২০১৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা বলসোনারোকে সুপ্রিম কোর্ট গত সেপ্টেম্বর মাসে কারাদণ্ড দেন।

তাকে প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভাকে ক্ষমতা গ্রহণে বাধা দিতে ও ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য একটি ষড়যন্ত্রের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।