ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রুদ্ররূপে ফেরা রিয়ালে বিধ্বস্ত মোনাকো

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 71

ভয়ংকর রুপে ফিরে আসা বুঝি একেই বলে। রিয়াল মাদ্রিদের এমন রুপ দেখতেই তো অভ্যস্ত সমর্থকরা। অবশেষে স্প্যানিশ জায়ান্টরা ভক্ত-সমর্থকের মনের খোরাক পূর্ণ করে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এলো। নতুন কোচ আলভারো আরবেলোয়ার অধীনে আগের ম্যাচে জয় পেলেও ঘরের মাঠে পারফরম্যান্সে ছিল না চিরচেনা ধার। এবার নিজেদের প্রিয় প্রতিযোগিতায় ফিরে প্রতিপক্ষকে দুমড়েমুচড়ে দিয়ে ফিরে আসার বার্তা দিয়ে রাখল লস ব্লাঙ্কোসরা।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গতকাল রাতে বার্নাব্যুতে মোনাকোকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ফরাসি ক্লাবের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন ক্লাবটিরই সাবেক ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে। একটি গোলের সঙ্গে সতীর্থদের দিয়ে দু’টি গোল করিয়েছেন সম্প্রতি বার্নাব্যু’এর চক্ষুশীল হয়ে যাওয়া ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এছাড়া একবার করে বল জালে জড়িয়েছেন জুড বেলিংহাম ও ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো, আত্মঘাতি গোল থেকে অন্য গোলটি পেয়েছে রিয়াল। মোনাকোর হয়ে একমাত্র গোলদাতা জর্দান তেজে।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে ইউরোপ সেরা প্রতিযোগিতায় ফরাসি ক্লাবগুলোর বিপক্ষে ঘরের মাঠে নিজেদের শেষ ১৯ ম্যাচের ১৮টিতেই অপরাজিত থাকল রিয়াল মাদ্রিদ (১৪ জয়, ৪ ড্র)।

বাংলাদেশের সমর্থনে এবার আইসিসিকে চিঠি পাঠাল পিসিবি

বড় জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিতের আরও কাছে পৌঁছে গেল রিয়াল মাদ্রিদ। ৭ ম্যাচে ৫ জয় ও ২ হারে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ ১৫বারের চ্যাম্পিয়নরা। আগামী ২৮ জানুয়ারি বেনফিকার মাঠে ইতিবাচক ফল পেলেই এমবাপে-ভিনিসিয়ুসরা দুই লেগের প্লে-অফের বাধা এড়িয়ে সরাসরি শেষ ষোলোর টিকিট কাটবে। শীর্ষে থাকা আর্সেনাল ৭ ম্যাচের সবকটিতে জিতে ২১ পয়েন্ট সংগ্রহ করে প্লে অফ নিশ্চিত করেঠে। সমান ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে ২০ নম্বরে মোনাকো।

বার্নাব্যুতে ৭৩,৫৯৯ দর্শকের সামনে খানিকটা ধীর শুরুর পরই ঝড় তুলে রিয়াল। আগ্রাসী রিয়াল মাত্র পাঁচ মিনিটেই এগিয়ে যায়। ডান প্রান্তে মাস্তানতুয়োনোর কাছ থেকে শুরু হওয়া চমৎকার দলগত আক্রমণ বক্সের ভেতরে ফেদেরিকো ভালভার্দের পাস হয়ে শেষ হয় এমবাপের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে, যেখানে প্রতিপক্ষের গোলকিপার ফিলিপ কোহনের করার ছিল না কিছুই।

দুই মিনিট পর দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পায় আলভারো আরবেলোয়ার রিয়াল মাদ্রিদ। তবে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বাঁ পায়ের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় অল্পের জন্য। সফরকারীদের ওপর চাপ অব্যাহত রাখা স্বাগতিকরা ২০ মিনিটে আবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। আর্দা গুলারের ফ্রি-কিক থেকে এরিক ডিয়ারের ক্লিয়ারেন্সের পর বল সামলাতে গিয়ে দারুণ এক সেভ দিতে হয় মোনাকোর গোলকিপারকে।

২৬ মিনিটে ব্যবধান ২-০ করে রিয়াল। অসাধারণ গোলের শুরুটা হয় মিডফিল্ডে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার ব্যাকহিল পাসে। দৌড়াতে দৌড়াতে আরদা গুলার সেটিকে রূপ দেন চোখধাঁধানো থ্রু পাসে। তারপর ভিনিসিয়ুস বাইরের পায়ের নিখুঁত ক্রস এমবাপেকে সহজেই গোল করার সুযোগ করে দেন। ম্যাচে জোড়া গোল পূর্ণ করা ফরাসি তারকা ফরোয়ার্ডের এটি প্রতিযোগিতায় ১১তম গোল।

মিনিট পাঁচেক পর জর্দান তেজের দূরপাল্লার শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ৪২ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে আনসু ফাতির বাঁ পায়ের শট ঠেকান থিবো কোর্তোয়া। প্রথমার্ধের শেষ সুযোগটি আসে রিয়ালের, তবে আর্জেন্টাইন উইঙ্গার মাস্তানতুয়োনোর ক্রসে জুড বেলিংহ্যামের হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র। ৫১ মিনিটে ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার ভিনিসিয়ুসের রাতের দ্বিতীয় অ্যাসিস্ট থেকে ডান পায়ের শটে গোল করেন আর্জেন্টাইন উইঙ্গার মাস্তানতুয়োনো। গত কদিন সমর্থকদের রোষানলে থাকা ভিনি যেন নিজের পুরোনো ছন্দ ফিরে পেলেন। ৫৫ মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে আরেকটি দারুণ দৌড়ের পর আর্দা গুলারকে বল বাড়ান ভিনিসিয়ুস, গোল ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল পাঠান মোনাকোর ফুটবলার থিলো কেরার।

৭ নম্বর জার্সিধারী ভিনির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরিপূর্ণতা আসে ৬৩ মিনিটে। মাঝমাঠে বল উদ্ধার করেন আর্দা গুলার, এরপর বাকি কাজটুকু একাই করেন ভিনিসিয়ুস। বক্সের প্রান্তে গিয়ে কেরারকে চমৎকার কৌশলে কাটিয়ে জালের ওপরের কোণে বল পাঠান তিনি। স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৫-০।

রিয়ালের আক্রমণ তখনও থামেনি। ৬৪ মিনিটে আর্দা গুলারের শট অল্পের জন্য পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। ৭২ মিনিটে তেজে একটি গোল শোধ দেন মোনাকোর হয়ে। তবে আট মিনিট পর আবার গোল করেন বেলিংহাম। ভালভার্দের অ্যাসিস্টে মোনাকোর গোলকিপারকে কাটিয়ে ফাঁকা জালে বল পাঠান ইংলিশ মিডফিল্ডার। ২০২৬ সালে তাঁর প্রথম গোল এটি।

৮৩ মিনিটে উরুগুইয়ান তারকা ভালভার্দেকে তুলে যুব দল থেকে দানি মেসোর অভিষেক করান কোচ আরবেলোয়া। বাকি সময়েও দারুণ কিছু আক্রমণ করে সুযোগও তৈরি করে রিয়াল। ম্যাচে মোট ২৫টি শট নিয়ে পাঁচটি লক্ষ্যে রাখা ইউরোপের সবচেয়ে সফল ক্লাবটি পাঁচটি থেকেই গোল আদায় করে নেয়। মজার বিষয় হচ্ছে রিয়াল থেকে বেশি শট লক্ষ্যে রেখেও সফল হয়নি মোনাকো। ৫১ শতাংশ বল নিজেদের কাছে রেখে ২০টি শটের ছয়টি গোলমুখে রাখে এই ফরাসি ক্লাব।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

রুদ্ররূপে ফেরা রিয়ালে বিধ্বস্ত মোনাকো

আপডেট সময় : ০৩:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ভয়ংকর রুপে ফিরে আসা বুঝি একেই বলে। রিয়াল মাদ্রিদের এমন রুপ দেখতেই তো অভ্যস্ত সমর্থকরা। অবশেষে স্প্যানিশ জায়ান্টরা ভক্ত-সমর্থকের মনের খোরাক পূর্ণ করে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এলো। নতুন কোচ আলভারো আরবেলোয়ার অধীনে আগের ম্যাচে জয় পেলেও ঘরের মাঠে পারফরম্যান্সে ছিল না চিরচেনা ধার। এবার নিজেদের প্রিয় প্রতিযোগিতায় ফিরে প্রতিপক্ষকে দুমড়েমুচড়ে দিয়ে ফিরে আসার বার্তা দিয়ে রাখল লস ব্লাঙ্কোসরা।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গতকাল রাতে বার্নাব্যুতে মোনাকোকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ফরাসি ক্লাবের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন ক্লাবটিরই সাবেক ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে। একটি গোলের সঙ্গে সতীর্থদের দিয়ে দু’টি গোল করিয়েছেন সম্প্রতি বার্নাব্যু’এর চক্ষুশীল হয়ে যাওয়া ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এছাড়া একবার করে বল জালে জড়িয়েছেন জুড বেলিংহাম ও ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো, আত্মঘাতি গোল থেকে অন্য গোলটি পেয়েছে রিয়াল। মোনাকোর হয়ে একমাত্র গোলদাতা জর্দান তেজে।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে ইউরোপ সেরা প্রতিযোগিতায় ফরাসি ক্লাবগুলোর বিপক্ষে ঘরের মাঠে নিজেদের শেষ ১৯ ম্যাচের ১৮টিতেই অপরাজিত থাকল রিয়াল মাদ্রিদ (১৪ জয়, ৪ ড্র)।

বাংলাদেশের সমর্থনে এবার আইসিসিকে চিঠি পাঠাল পিসিবি

বড় জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিতের আরও কাছে পৌঁছে গেল রিয়াল মাদ্রিদ। ৭ ম্যাচে ৫ জয় ও ২ হারে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ ১৫বারের চ্যাম্পিয়নরা। আগামী ২৮ জানুয়ারি বেনফিকার মাঠে ইতিবাচক ফল পেলেই এমবাপে-ভিনিসিয়ুসরা দুই লেগের প্লে-অফের বাধা এড়িয়ে সরাসরি শেষ ষোলোর টিকিট কাটবে। শীর্ষে থাকা আর্সেনাল ৭ ম্যাচের সবকটিতে জিতে ২১ পয়েন্ট সংগ্রহ করে প্লে অফ নিশ্চিত করেঠে। সমান ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে ২০ নম্বরে মোনাকো।

বার্নাব্যুতে ৭৩,৫৯৯ দর্শকের সামনে খানিকটা ধীর শুরুর পরই ঝড় তুলে রিয়াল। আগ্রাসী রিয়াল মাত্র পাঁচ মিনিটেই এগিয়ে যায়। ডান প্রান্তে মাস্তানতুয়োনোর কাছ থেকে শুরু হওয়া চমৎকার দলগত আক্রমণ বক্সের ভেতরে ফেদেরিকো ভালভার্দের পাস হয়ে শেষ হয় এমবাপের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে, যেখানে প্রতিপক্ষের গোলকিপার ফিলিপ কোহনের করার ছিল না কিছুই।

দুই মিনিট পর দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পায় আলভারো আরবেলোয়ার রিয়াল মাদ্রিদ। তবে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বাঁ পায়ের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় অল্পের জন্য। সফরকারীদের ওপর চাপ অব্যাহত রাখা স্বাগতিকরা ২০ মিনিটে আবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। আর্দা গুলারের ফ্রি-কিক থেকে এরিক ডিয়ারের ক্লিয়ারেন্সের পর বল সামলাতে গিয়ে দারুণ এক সেভ দিতে হয় মোনাকোর গোলকিপারকে।

২৬ মিনিটে ব্যবধান ২-০ করে রিয়াল। অসাধারণ গোলের শুরুটা হয় মিডফিল্ডে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার ব্যাকহিল পাসে। দৌড়াতে দৌড়াতে আরদা গুলার সেটিকে রূপ দেন চোখধাঁধানো থ্রু পাসে। তারপর ভিনিসিয়ুস বাইরের পায়ের নিখুঁত ক্রস এমবাপেকে সহজেই গোল করার সুযোগ করে দেন। ম্যাচে জোড়া গোল পূর্ণ করা ফরাসি তারকা ফরোয়ার্ডের এটি প্রতিযোগিতায় ১১তম গোল।

মিনিট পাঁচেক পর জর্দান তেজের দূরপাল্লার শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ৪২ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে আনসু ফাতির বাঁ পায়ের শট ঠেকান থিবো কোর্তোয়া। প্রথমার্ধের শেষ সুযোগটি আসে রিয়ালের, তবে আর্জেন্টাইন উইঙ্গার মাস্তানতুয়োনোর ক্রসে জুড বেলিংহ্যামের হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র। ৫১ মিনিটে ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার ভিনিসিয়ুসের রাতের দ্বিতীয় অ্যাসিস্ট থেকে ডান পায়ের শটে গোল করেন আর্জেন্টাইন উইঙ্গার মাস্তানতুয়োনো। গত কদিন সমর্থকদের রোষানলে থাকা ভিনি যেন নিজের পুরোনো ছন্দ ফিরে পেলেন। ৫৫ মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে আরেকটি দারুণ দৌড়ের পর আর্দা গুলারকে বল বাড়ান ভিনিসিয়ুস, গোল ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল পাঠান মোনাকোর ফুটবলার থিলো কেরার।

৭ নম্বর জার্সিধারী ভিনির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরিপূর্ণতা আসে ৬৩ মিনিটে। মাঝমাঠে বল উদ্ধার করেন আর্দা গুলার, এরপর বাকি কাজটুকু একাই করেন ভিনিসিয়ুস। বক্সের প্রান্তে গিয়ে কেরারকে চমৎকার কৌশলে কাটিয়ে জালের ওপরের কোণে বল পাঠান তিনি। স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৫-০।

রিয়ালের আক্রমণ তখনও থামেনি। ৬৪ মিনিটে আর্দা গুলারের শট অল্পের জন্য পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। ৭২ মিনিটে তেজে একটি গোল শোধ দেন মোনাকোর হয়ে। তবে আট মিনিট পর আবার গোল করেন বেলিংহাম। ভালভার্দের অ্যাসিস্টে মোনাকোর গোলকিপারকে কাটিয়ে ফাঁকা জালে বল পাঠান ইংলিশ মিডফিল্ডার। ২০২৬ সালে তাঁর প্রথম গোল এটি।

৮৩ মিনিটে উরুগুইয়ান তারকা ভালভার্দেকে তুলে যুব দল থেকে দানি মেসোর অভিষেক করান কোচ আরবেলোয়া। বাকি সময়েও দারুণ কিছু আক্রমণ করে সুযোগও তৈরি করে রিয়াল। ম্যাচে মোট ২৫টি শট নিয়ে পাঁচটি লক্ষ্যে রাখা ইউরোপের সবচেয়ে সফল ক্লাবটি পাঁচটি থেকেই গোল আদায় করে নেয়। মজার বিষয় হচ্ছে রিয়াল থেকে বেশি শট লক্ষ্যে রেখেও সফল হয়নি মোনাকো। ৫১ শতাংশ বল নিজেদের কাছে রেখে ২০টি শটের ছয়টি গোলমুখে রাখে এই ফরাসি ক্লাব।